Last Updated:
এ দিন কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওযাক আউট করেন কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের সাংসদরায়৷ তাঁ দের সমর্থন জানায় অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও৷ যদিও কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফের বৈঠকে যোগ দেন বিরোধীরা৷
অধ্যক্ষ যেখানে এখনও তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদানকে মান্যতা দেননি, সেখানে কীসের ভিত্তিতে এনসিপিআই-কে সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার৷ রবিবার দিল্লিতে বাদল অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদলীয় বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াক আউট করে এই প্রশ্নই তুললেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র৷
এনসিপিআই-কে সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকা নিয়ে মূলত চারটি প্রশ্ন তুলেছেন কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের এই সাংসদ৷ মহুয়া প্রশ্ন করেছেন, সংবিধানের ৯১ তম সংশোধনের পর বিদ্রোহীদের আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই৷
দ্বিতীয়ত, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের জন্য লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে আবেদন করা হয়েছিল৷ সেই আবেদনও এখনও অধ্যক্ষের বিবেচনাধীন রয়েছে৷
তৃতীয়ত, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-তে মিশে যাওয়ার জন্য অধ্যক্ষের কাছে যা আবেদন করেছিলেন, তাতেও এখনও মান্যতা দেননি ওম বিড়লা৷
সর্বোপরি মহুয়ার দাবি, লোকসভার ওয়েবসাইটেও এখনও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ২৮ জনই দেখাচ্ছে৷ তাহলে বিদ্রোহীদের এনসিপিআই-এর প্রতিনিধি হিসেবে কী করে গণ্য করে নিল কেন্দ্র?
কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র যে প্রশ্নগুলি তুলেছিলেন, তার জবাব দিয়েছেন এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর পাল্টা দাবি, সংসদীয় বিষয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর আমন্ত্রণ পেয়েই এ দিন সর্বদলীয় বৈঠকে এনসিপিআই-এর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন তাঁরা৷ একই সঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এনসিপিআই-এর নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া স্বীকৃতি সংক্রান্ত নথি চেয়েছিলেন৷ সেই নথি জমা দেওয়া হয়েছে৷ কলকাতার উত্তরের সাংসদের দাবি, সম্ভবত আগামিকাল সকালের মধ্যেই তাঁদের এনসিপিআই-এ মিশে যাওয়ার আবেদনকে মান্যতা দিয়ে দেবে কেন্দ্রীয় সরকার৷
আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ তার আগে এনসিপিআই-কে নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে অধ্যক্ষ ওম বিড়লা কী সিদ্ধান্ত নেন, এনসিপিআই সাংসদ হিসেবেই সুদীপ-কাকলিরা সংসদে বসেন কি না, সেদিকেই অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল৷
Kolkata,West Bengal
