নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাটনি ও সমোসার স্বাদ আজ ভারতীয় প্রবাসী এবং দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, “চাটনি ও সমোসার স্বাদ ভারত ও সেশেলসের অভিন্ন ঐতিহ্যের এমন কিছু অনন্য উপাদান, যা দুই দেশের গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনকে তুলে ধরে।”
অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ও সেশেলসের সম্পর্ক শুধু কূটনীতি বা বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শতাব্দীপ্রাচীন সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সেশেলসে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে সে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। একই সঙ্গে তারা নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।
ভারত ও সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতাসহ একাধিক ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে।
পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুদান, ঋণসুবিধা (লাইন অব ক্রেডিট) এবং কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে ভারত দীর্ঘদিন ধরে সেশেলসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে।
মোদি বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, খাদ্যসংস্কৃতি এবং ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায় দুই দেশের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধনের কাজ করছে, যা সরকারি পর্যায়ের সম্পর্কের বাইরেও ভারত-সেশেলসের বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অভিন্ন ঐতিহ্য পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় এবং ভারত-সেশেলস সম্পর্কের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার প্রতিফলন ঘটায়।