পণ ও যৌতুকের দাবিতে বারবার হয়রানির শিকার হয়ে ২৪ বছরের তরুণী দীপিকা বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে৷ দীপিকা পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পণের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে।
জানা গিয়েছে, ১৪ মাস আগে জালপুরা গ্রামের বাসিন্দা হৃতিকের সঙ্গে দীপিকার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সময় পণ হিসেবে একটি ফর্চুনার গাড়ি এবং এক কোটি টাকা দেওয়ার সমঝোতা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এরপরও আরও পণের দাবিতে দীপিকার উপর অত্যাচার চলতে থাকে বলে অভিযোগ পরিবারের।
দীপিকার ময়নাতদন্ত দুই চিকিৎসকের একটি প্যানেল দ্বারা করা হয় এবং পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফিও করা হয়েছে। রিপোর্টে একাধিক গুরুতর বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ আঘাতের উল্লেখ রয়েছে।
মুখের ডানদিকে প্রায় ১২ সেমি × ৯ সেমি ফোলা ও আঘাতের চিহ্ন
বাঁ কনুইয়ের জয়েন্টে ৯ সেমি × ৬ সেমি ক্ষত
বাঁ হাতের নিচের অংশে ৮ সেমি × ৫ সেমি আঘাত
ডান উরুতে প্রায় ৩৮ সেমি × ১৪ সেমি বড় আকারের কালশিটে
বাঁ হাঁটুর জয়েন্টে প্রায় ৪ সেমি × ১.৫ সেমি হাড় পর্যন্ত গভীর ক্ষত
কোমর ও তলপেটের অংশে ১.৫ সেমি × ১ সেমি ক্ষত
ডান দিকের ইলিয়াক ক্রেস্টের উপরে ২৫ সেমি × ২২ সেমি বৃত্তাকার কালশিটে
ডান হাতে বৃত্তাকার আঘাতের চিহ্ন
বাঁ কান থেকে রক্তপাত
বুক ও পেটের বাঁ দিকে গভীর চাপ ও ঘর্ষণের দাগ
মস্তিষ্কের মাঝখান ও বাঁ দিকে রক্ত জমাট (হেমাটোমা)
ফেটে গিয়েছে প্লীহা
বাঁ কিডনি ফ্যাকাশে অবস্থায় পাওয়া যায়
হৃদপিণ্ডের চেম্বারগুলো খালি ছিল
শরীরের বিভিন্ন অংশে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ