Last Updated:
North East Frontier Railway-এর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ অংশে জারি থাকা ৯৫ কিমি/ঘণ্টা গতির স্থায়ী স্পিড রেস্ট্রিকশন তুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সংশ্লিষ্ট সেকশনটি এখন ১১০ কিমি/ঘণ্টা সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতিতে (এমপিএস) ট্রেন চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠেছে।
নয়াদিল্লি: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে তিনসুকিয়া ডিভিশনের অন্তর্গত শিমলুগুড়ি-মরানহাট সেকশনে, পারমানেন্ট স্পীড রেসট্রিকশন (পিএসআর) স্থায়ীভাবে অপসারণের লক্ষ্যে, একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্ভ রিএলাইনমেন্ট কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। পরিকাঠামোগত এই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নকাজের আওতায় বিদ্যমান ৩-ডিগ্রি কার্ভটিকে ট্র্যাক কেটে ও সংযোগের মাধ্যমে একটি আরও সুগম ২-ডিগ্রি কার্ভে রূপান্তরিত করা হয়; পাশাপাশি ওভারহেড ইকুইপমেন্ট (ওএইচই)-এর খুঁটি ও তারগুলিও স্থানান্তরিত করা হয়। ট্রাফিক ব্লক চলাকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং, অপারেটিং এবং ট্র্যাকশন ডিস্ট্রিবিউশন (টিআরডি) বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা এই ডিভিশনের শক্তিশালী টিম ওয়ার্ক ও পরিচালন দক্ষতারই প্রতিফলন।
ব্লক চলাকালীন সময়ে, বিদ্যমান ৩-ডিগ্রি কার্ভটিকে প্রায় ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের নতুনভাবে প্রস্তুতকৃত ভিত্তির ওপর স্থাপন করা হয়, নতুনভাবে বিন্যস্ত একটি ২-ডিগ্রি কার্ভের সাথে নির্বিঘ্নে সংযুক্ত করা হয়। এই প্রকল্পটিতে সর্বোচ্চ ৭.৭ মিটার ট্র্যাক স্লিউ অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ও পূর্ণ সুরক্ষার সাথে সম্পন্ন করা হয়। ট্রেন চলাচল সুগম ও সুরক্ষিত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, প্রথম ট্রেনটি অতিক্রম করার আগেই একটি ডুওম্যাটিক মেশিন ব্যবহার করে মেশিন ট্যাম্পিংয়ের কাজও সম্পন্ন করা হয়।
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো কাজের সফল সমাপ্তির ফলে, ৫০০ মিটার দৈর্ঘের অংশে বিদ্যমান ৯৫ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগের পারমানেন্ট স্পিড রেস্ট্রিকশন স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এই সেকসন ১১০ কিমি/ঘণ্টা ম্যাক্সিমাম পারমিসিবল স্পিড (এমপিএস)-এর জন্য উপযুক্ত।
এই উন্নয়নের ফলে ট্রেনের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে, সময়ানুবর্তিতা বৃদ্ধি পাবে এবং এই সেকশনে ট্রেন চলাচল আরও সুগম ও দক্ষ হয়ে উঠবে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল তার সমগ্র নেটওয়ার্কে, সুরক্ষিত, দ্রুততর এবং নির্ভরযোগ্য রেল পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিকাঠামোর ধারাবাহিক আধুনিকীকরণ, সুরক্ষা ব্যবস্থার সুদৃঢ়করণ এবং পরিচালন দক্ষতার বৃদ্ধিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
