Last Updated:
Rakhee Gulzar: প্রখ্যাত অভিনেত্রী রাখি গুলজারের শৈশবের একটি বড় অংশ কেটেছে নদিয়ার রানাঘাটে। তাঁর একসময়ের প্রতিবেশী ও ভাইয়ের সহপাঠী মদন দাসের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে রাখির শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং চলচ্চিত্র জগতে পা রাখার অজানা কাহিনি জানলে চমকে যাবেন।
রানাঘাট, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: বলিউডের রুপোলি পর্দায় একের পর এক কালজয়ী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী রাখি গুলজার। কিন্তু জানেন কি, তাঁর শৈশবের একটা বড় অংশ কেটেছে নদিয়ার রানাঘাটে? আড়ংঘাটা থেকে মহেশপাড়া, তারপর রানাঘাটের রথতলা—জীবনের শুরুর দিনগুলির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই জনপদের স্মৃতি। আজও সেই পুরোনো দিনের কথা মনে পড়লে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তাঁর একসময়ের প্রতিবেশী এবং ভাই শিবরঞ্জন মজুমদারের সহপাঠী মদন দাস। তাঁর স্মৃতিচারণে উঠে এল বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং চলচ্চিত্র জগতে পা রাখার অজানা কাহিনি।
মদন দাসের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, রাখি গুলজারের পরিবার প্রথমে আড়ংঘাটায় বসবাস করত। পরে মহেশপাড়া হয়ে তাঁরা চলে আসেন রানাঘাটের রথতলায়। সেখানেই কেটেছে রাখির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সময়। তখনও তিনি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হয়ে ওঠেননি। তবে তাঁর সৌন্দর্য এবং চোখের আকর্ষণীয় অভিব্যক্তি যে একদিন তাঁকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেবে, তাঁর ইঙ্গিত যেন মিলেছিল শৈশবেই।
মদন দাস জানান, রানাঘাটে থাকাকালীন অরুন্ধতী চৌধুরীর ‘নূপুর’ ছবির শুটিং দেখতে গিয়েছিলেন রাখি। সেই সময়ই তাঁর রূপ ও চোখের সৌন্দর্য নজর কাড়ে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে তাঁর পরিচয়ের পথ তৈরি হয়। পরবর্তীকালে পরিচালক অজয় বিশ্বাসের হাত ধরে ‘বাঘিনী’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন রাখি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। রাখির বাবা শ্রদ্ধেয় শচীন মজুমদারের পরিবারও রানাঘাটের মানুষের কাছে পরিচিত। তাঁর ভাই শিবরঞ্জন মজুমদার ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। পড়াশোনার সূত্রে নবম শ্রেণিতে ওঠার পর রাখির সঙ্গে তিনিও মুম্বই চলে যান।