সইফ আরও বলেন, “যখন আমি রক্তে মাখামাখি ছিলাম, তখন আমার মনে শুধু একটাই অনুভূতি হচ্ছিল, ‘বাহ, কী চমৎকার একটা জীবন ছিল!’ আমার মনে হচ্ছিল, জীবনে আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি এবং এই যাত্রাটা ছিল খুবই সুন্দর। সেই মুহূর্তে আমার একমাত্র ইচ্ছা ছিল, কেউ যদি আমার হাতটা ধরে রাখত, যাতে আমি শান্তিতে এই দুনিয়াকে বিদায় জানাতে পারতাম। কিন্তু, আমি কখনও প্রতিবন্ধী হয়ে বাঁচতে চাইনি। ভাগ্য আমার পক্ষে ছিল, এবং আমি এই মারাত্মক বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি।” হামলার পর সাইফ আলি খান পাঁচ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
