Last Updated:
রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি তৃণমূলের সংগঠনেও বড়সড় ভাঙন ধরাতে পারে বলে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে৷
রাজ্যে ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই তৃণমূল ছেড়ে ছোট বড় অনেক নেতাই রাতারাতি বিজেপি হয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে৷ দলবদলের এই হিড়িক আটকাতে অবশ্য প্রথম থেকেই কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছেন বিজেপি নেতৃত্ব৷ এমন কি, আপাতত অন্য দল থেকে যোগদান বন্ধ রাখারও নির্দেশ দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব৷
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতাদের দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কি ভাল – খারাপ বাছাই করবে বিজেপি? আাগামী দিনে দলবদলে ইচ্ছুক তৃণমূল নেতাদের জন্য দরজা খোলা হলেও কী নিতে হবে দলের? শনিবার দিল্লিতে এই প্রশ্নেরই জহাহ দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘যে তৃণমূল নেতারা চুরি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। কিন্তু তৃণমূলেও কিছু ভাল মানুষ আছেন। যারা পরিস্থিতির চাপে পড়ে মুখ খুলতে পারেননি, অথবা মুখ খুলে সমস্যায় পড়েছেন। তাঁরা বিজেপির দরজায় কড়া নাড়লে দল নিশ্চয়ই ভেবে দেখবে। কিন্তু তাঁদেরও দরজা খোলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
প্রসঙ্গত নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পরই দলের নেতা কর্মীদেরও কড়া বার্তা দিয়েছিলেন শমীক ভট্টোচার্য৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল, তৃণমূল নেতাদের মারধরের মতো অভিযোগ ওঠায় বিজেপি নেতাদের সংযত হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷ যে নেতা, কর্মীরা দলের নির্দেশ মানবেন না, তাঁদের দল থেকে বের করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য৷
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের বহু পরাজিত প্রার্থীর মুখেই বিজেপি-র প্রশংসা শোনা গিয়েছে৷ তৃণমূল অন্যান্য অনেক নেতাও দলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিজেপি-তে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করে রেখেছেন৷ শেষ পর্যন্ত বিজেপি কাদের জন্য দরজা খোলে, সেটাই এখন দেখার৷
Kolkata,West Bengal
