Last Updated:
Sikkim Tunnel Collapse: সিকিমের এনএইচপিসি টানেল বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ হয়েছে, এখনও আট শ্রমিক আটকে থাকার আশঙ্কা। মিথেন গ্যাসের লিকের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নয়াদিল্লিঃ সিকিমের নামচি জেলার নির্মীয়মাণ এনএইচপিসি তিস্তা স্টেজ-VI জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে আরও একটি দেহ উদ্ধার হওয়ার পর এই তথ্য জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দলের আধিকারিকরা। এখনও আট শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইস্টার্ন কোলফিল্ডসের উদ্ধারকারী বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট অভিজিৎ কুণ্ডু জানান, টানেলের ভিতরে সন্দেহভাজন মিথেন গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন লিক, জল জমে থাকা, ধ্বংসস্তূপ এবং অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ শ্বাসযন্ত্র ছাড়া উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা টানেলে প্রবেশ করতে পারছেন না, ফলে অভিযান ধীরগতিতে চলছে।
এদিকে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। পাশাপাশি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন তিনি।
সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ নামচি জেলার সামারডুং গ্রামের কাছে ৫০০ মেগাওয়াট তিস্তা স্টেজ-VI প্রকল্পের হেড রেস টানেলের ভিতরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, মিথেন গ্যাসের লিক থেকে বিস্ফোরণ ঘটে এবং টানেলের একাংশ ধসে পড়ে। সেই সময় টানেলের ভিতরে ২৭ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও বাকিরা ভিতরে আটকে পড়েন।
উদ্ধারকাজে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পুলিশ, দমকল, খনি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, রাসায়নিক বিশ্লেষক এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা যৌথভাবে কাজ করছেন। আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দারাও রয়েছেন।
Kolkata,West Bengal
