Last Updated:
Supreme Court of India: ‘দু’জনেই আইএএস হলে সংরক্ষণ কেন?’, ক্রিমি লেয়ার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
নয়াদিল্লি: সংরক্ষণ নীতি এবং সামাজিক অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার এক মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, যেসব পরিবার ইতিমধ্যেই শিক্ষা ও আর্থিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, তাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজন কতটা যুক্তিসঙ্গত।
অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (ওবিসি) মধ্যে ‘ক্রিমি লেয়ার’ বা উচ্চ মেধাসম্পন্নদের সংরক্ষণ সুবিধা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আদালত বিশেষভাবে উল্লেখ করে, যদি বাবা-মা দু’জনেই আইএএস অফিসার হন, তাহলে তাঁদের সন্তানদের জন্য আবার সংরক্ষণের দাবি কেন উঠবে? বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণে বলেন, ”শিক্ষা ও আর্থিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক গতিশীলতা আসে। সেই অবস্থার পরেও যদি পরবর্তী প্রজন্ম সংরক্ষণ চায়, তাহলে আমরা কখনও এই চক্র থেকে বেরোতে পারব না। বিষয়টি আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।”
এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নোটিস জারি করেছে এবং তাদের কাছ থেকে জবাব তলব করেছে। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ সংরক্ষণ নীতি ও ‘ক্রিমি লেয়ার’ বিতর্কে নতুন করে আলোচনা উস্কে দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার ১০ দিনের মধ্যেই ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে এবার ২০১০ সালের আগের সিদ্ধান্তে ফিরল রাজ্যের বিজেপি সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের আগের রায় এবং চলতি আইনি প্রক্রিয়ার প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ বলে দাবি সরকারের। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বক্তব্য, ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও সাংবিধানিক বৈধতা নেই। প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু সম্প্রদায় যাতে সংরক্ষণের সুবিধা পান, সেই লক্ষ্যেই নতুন নীতি বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। শুধুমাত্র SC ও ST-র বাইরে থাকা নির্দিষ্ট অনগ্রসর হিন্দু গোষ্ঠীগুলিই এবার ৭ শতাংশ ওবিসি কোটার সুবিধা পাবেন। ওবিসি এ এবং ওবিসি বি আর রইল না।
Kolkata,West Bengal
