Last Updated:
West Bengal Industry: জলাজমি ভরাট আর অগ্নিকাণ্ডের পুরনো বিতর্ক পিছনে ফেলে নতুন রূপে ফিরছে নাজিরাবাদ। বিমানবন্দর এবং ইএম বাইপাসের কম দূরত্বকে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে আধুনিক ফুড প্রসেসিং ও গুদামজাতকরণের এক বিশাল ক্লাস্টার তৈরির ব্লু-প্রিন্ট সাজিয়েছে প্রশাসন।
সোনারপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: নাজিরাবাদ নাম শুনলেই সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে পড়ে সকলের। তবে এবার নাজিরাবাদ সেই স্মৃতি মুছে হয়ে উঠতে চলছে শিল্প পরিকল্পনার অংশ। সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার নাজিরাবাদে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এখানে প্রায় ৮০০ বিঘা জমি চিহ্নিত হয়েছে।
চিহ্নিত জমিতে কোল্ড স্টোরেজ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ আধুনিক মানের গুদাম তৈরি হবে। ক্লাস্টার তৈরি করে এই কাজ হবে। সরকারি জমি ছাড়াও যারা জমি দিতে ইচ্ছুক তাদের সঙ্গেও কথা বলা হবে। ইতিমধ্যেই যে জমিতে কারখানা বানিয়ে বা টিনের শেড লাগিয়ে ব্যবসা চলছে অথবা মালিকরা ভাড়া দিয়েছেন, তার মধ্যে কোনগুলি অবৈধ, কোনগুলি বৈধ, তার তালিকাও তৈরি হচ্ছে।
এ নিয়ে সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক দেবাশিস ধর জানিয়েছেন, ‘শিল্প ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। ওই এলাকায় বেশিরভাগ জমিই দখল হয়েছে বলে অভিযোগ আসছে। প্রকৃত মালিকদের জমি ফেরানো হচ্ছে। পাশাপাশি, সেখানে জমি চিহ্নিত করে শিল্পের পরিকল্পনাও আছে।’ কলকাতার উপকণ্ঠে থাকায় নাজিরাবাদে বেশ কিছু সুবিধে আছে। বিমানবন্দর, বন্দর, ইএম বাইপাসের সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় সেখানে লজিস্টিকস, কোল্ড চেন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সম্ভাবনা ভাল। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সুন্দরবনের ফসল, মাছ ইত্যাদি সংরক্ষণ ও বিপণনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে ওই অঞ্চল।
South Twenty Four Parganas,West Bengal
West Bengal Industry: ৮০০ বিঘা জমিতে মেগা লজিস্টিকস-কোল্ড চেন হাব! সোনারপুরের ভোল বদলে দিতে প্রস্তুত নাজিরাবাদ, দিশা দেখাচ্ছেন নয়া বিধায়ক
