Last Updated:
West Medinipur News: একদিকে স্কুলে শিক্ষকতা, অন্যদিকে ছবি আঁকা এবং দেশি-বিদেশি নানা বাদ্যযন্ত্র বাজানো- দুইয়েই দক্ষ দাঁতনের এই শিক্ষক। স্থানীয়রা জানান, এই যুবক তাঁদের এলাকার গর্ব।
দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দঃ শৈশবেই মাথার উপর থেকে সরে গিয়েছিল বাবার হাত। কিন্তু সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করেই জীবনের মূলমন্ত্র খুঁজে নিয়েছেন প্রত্যন্ত গ্রামের যুবক তপন রানা। তুলির টানে ক্যানভাসে রং ফোটানো থেকে শুরু করে বাঁশিতে সুরের মুর্ছনা- তাঁর অদম্য প্রতিভায় আজ মুগ্ধ আপামর মেদিনীপুরবাসী। খুব অল্প বয়সে বাবাকে হারিয়েছেন। মা ছিলেন সরকারি কর্মচারী। ঘরে খুব একটা গান বাজনার চর্চা না থাকলেও, তাঁর বাবার ছবি আঁকার দক্ষতা ছিল বেশ। সেই থেকেই শুরু। একদিকে অসাধারণ ছবি আঁকতে পারেন তিনি, অন্যদিকে বেসরকারি একটি বিদ্যালয় শিক্ষকতার পাশাপাশি বাজাতে পারেন ভারতীয় ও বিদেশি একাধিক ইনস্ট্রুমেন্ট।
পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকা দাঁতনের গোলা বাজারের এই যুবকের প্রতিভা সকলকে চমকে দিয়েছে। ছবি আঁকা, গান এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে তাঁর অধিকাংশ সময় কাটে। দাঁতনের নিবাসী তপন পেশায় শিক্ষক। ছোটবেলা থেকেই গান ও ছবি আঁকায় হাতেখড়ি। তবে ধীরে ধীরে তাঁর বিভিন্ন ধরনের মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট বাজানোর প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।
ছবি এঁকে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে বিক্রিও করেন দাঁতনের এই যুবক। এছাড়াও গানে লিখে তাতে সুরও দেন তপন। দাঁতনের মতো এক প্রত্যন্ত এলাকার যুবক যেভাবে দেশি-বিদেশি যন্ত্রের সমন্বয়ে এক অনন্য সঙ্গীতশৈলী তৈরি করেছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না। এলাকাবাসীর মতে, তপন কেবল একজন শিক্ষক নন, তিনি তাঁদের এলাকার গর্ব।
Paschim Medinipur,West Bengal
West Medinipur News: দাঁতনের ‘অলরাউন্ডার’ স্কুল শিক্ষক! পড়ানোর পাশাপাশি আঁকা-সঙ্গীতেও তাক লাগানো প্রতিভা, এলাকার গর্ব বলছেন সকলে