নয়াদিল্লি : “ছাত্ররা কোথাও জমায়েত হলেই বা আন্দোলন করলেই সেটা যে সমসময় খুব পরিণতি ভাল হয় তা নয়।” ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকের করা প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। যা নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, “আমরা আলাদা।”
সাংবাদিক বৈঠকে লেখিকাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আপনি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে এক্স করেছিলেন CJP-র ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে । একটু ক্রিটিক্যালি আপনি বলেছিলেন যে, বাংলাদেশে পরিণতি ঠিক হয়নি। সেটা নিয়ে যদি…”। এই প্রশ্নের উত্তরে তসলিমা বলেন, “আমি এখানে ঠিক ফলো করিনি কী হচ্ছে। তবে একটা ছোট ভিডিও ক্লিপ দেখে আমার মনে হয়েছিল যে, বাংলাদেশে ২০২৪-এ ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল, ওটার মতোই মনে হয়েছে। কারণ, বাংলাদেশে ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলন আমাদের বোকা বানিয়েছিল। কারণ, আমার ভেবেছিলাম সব ছাত্ররা এসেছে। তারা কোটা চাইছে না। কোটা উঠিয়ে দিতে চাইছে। ঠিক আছে, এটা হতেই পারে। শেখ হাসিনা তখন বলেছিলেন, ঠিক আছে। ওটা সংশোধন করে দিচ্ছি। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গেছে এবং সরকার পতন হয়েছে এবং আমরা টের পেয়েছি, দেখেছি, প্রমাণ পেয়েছি যে আসলে এই আন্দোলনের পিছনে জেহাদিরা ছিল। জেহাদিরাই পরে দখল করেছে দেশ। পরিণতিটা ভাল হয়নি। সেইজন্য আমি বলেছি, ছাত্ররা কোথাও জমায়েত হলেই বা আন্দোলন করলেই সেটা যে সমসময় খুব পরিণতি ভাল হয় তা নয়।”
দীপকে বলেছেন যে, ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র দায়িত্ব দেশব্যাপী ছাত্র বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার পর বেড়ে গেছে এবং শীঘ্রই এই সংগঠনকে সম্প্রসারিত করা হবে।
আরও একটি প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি…
CJP-র প্রতিষ্ঠাতা সোমবার কেন্দ্রকে সতর্ক করে বলেছেন যে, সংগঠনের দাবিগুলি পূরণ না হলে আবারও অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে কেন্দ্র এখনও ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়নি। অথচ আন্দোলনের সময় এটি ছিল সিজেপি-র অন্যতম প্রধান দাবি। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে অভিজিৎ বলেন, “আমরা চাই সরকার এটি করুক (সম্মতি অনুযায়ী দাবিগুলি পূরণ করা), অন্যথা আমাদের আবারও প্রতিবাদে বসতে হবে।” Cockroach Janta Party