সন্দীপ সরকার, কলকাতা: গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে । ১৯টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে । যার মধ্যে বেশিরভাগই জামিন অযোগ্য । শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতে (ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১১ অগাস্ট) মগরা থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে অভিষেক পোড়েলকে । মঙ্গলবার তাঁকে আরও অস্বস্তিতে ফেলল আদালতের রায় । চুঁচুড়া আদালতে তাঁকে তোলা হয়েছিল । সেখানে জামিন পেলেন না অভিষেক পোড়েল ।
বাংলার ক্রিকেটারকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত । চুঁচুড়া আদালতের সিজিএম কোর্টে অভিষেককে পেশ করে পুলিশ । জামিনের আবেদন করেন ক্রিকেটারের আইনজীবী । জামিনের আবেদন খারিজ করে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি ।
ঠিক কী অভিযোগ পোড়েল বিরুদ্ধে ?
চিকিৎসক পড়ুয়া এক তরুণী অভিযোগ করেন যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন অভিষেক । তারপর অভিষেক নাকি আচমকা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন । তার চেয়েও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হল, ওই তরুণীর আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে নাকি ব্ল্যাকমেল করেছেন অভিষেক । তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল । যার মধ্যে বেশিরভাগই জামিন অযোগ্য মামলা ।
ওই তরুণী এরপর আইনজীবী মারফত কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন । বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে ওঠে মামলা । এই মামলার আগের শুনানিতে বিচারপতি ভট্টাচার্য নির্দেশ দেন, অভিষেকের কাছে থাকা মোবাইল ফোন সহ সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করতে হবে হুগলির মগরা থানার পুলিশকে । সেই সঙ্গে পুলিশকে তাদের পদক্ষেপের বিস্তারিত তথ্য সহ রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয় ।
আজ, মঙ্গলবার, ১১ অগাষ্ট ছিল হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি । যেদিন রিপোর্ট জমা দেয় মগরা থাকা । মগরা থানার তরফে বিচারপতিকে জানানো হয়েছে যে, ১১ অগাস্ট গ্রেফতার করা হয়েছে অভিষেক পোড়েলকে । তাঁকে চুঁচুড়া কোর্টে পেশ করা হয় । সেখানে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয় ।
এদিকে, হাইকোর্টের বিচারপতি নির্দেশ দেন, অভিষেকের কাছে থাকা ইলেকট্রনিক ডিভাইস অবিলম্বে খতিয়ে দেখুক পুলিশ । হাইকোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ সেপ্টেম্বর ।
আরও পড়ুন: গ্রেফতার আইপিএলে খেলা বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল, কী নির্দেশ হাইকোর্টের?