চেন্নাই: জশ ইংলিশের ব্যাটে দুরন্ত ঝোড়ো অর্ধশতরান, লোয়ার অর্ডারে শাহবাজ আহমেদের ক্যামিও। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০৩ রান বোর্ডে তুলে ফেলল লখনউ সুপারজায়ান্টস। এদিন ছিল চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠে লড়াই। চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে টস জিতে এদিন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। চেন্নাই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড এদিন প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
এদিন টস জেতার পর প্রথমে ফিল্ডিং নেন রুতুরাজ। ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান লখনউ সুপারজায়ান্টস দলকে। এদিন লখনউয়ের হয়ে এইডেন মারক্রাম ওপেনিংয়ে খেলেননি। তাঁর পরিবর্তে অজি তারকা জশ ইংলিশকে একাদশে ওপেন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। আর সুযোগ দারুণ ভাবে কাজে লাগালেন অজি ব্যাটার। ৩৩ বলে ৮৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। নিজের ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কা হাঁকান তিনি। তাঁর শুরুটাই লখনউকে বড় ইনিংস গড়ার ভিত গড়ে দেয়। তাঁর সঙ্গে ওপেনে নেমেছিলেন মিচেল মার্শ। কিন্তু এদিন মাত্র ১০ বলে ১০ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। মারক্রাম লোয়ার মিডল অর্ডারে নামলেও বড় রান পাননি। এছাড়া চূড়ান্ত ব্যর্থ হন নিকোলাস পুরাণ। তিনি মাত্র ১ রান করে প্যাভিলিয়ন ফেরেন। অন্য়দিকে মারক্রাম ৬ রান করে আউট হন। তবে লোয়ার অর্ডারে চালিয়ে খেলেন বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা তারকা অলরাউন্ডার শাহবাজ আহমেদ। ২৫ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৩টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
চেন্নাই বোলারদের মধ্য়ে আকিল হোসেন ৪ ওভারে ৪৯ রান খরচ করেও কোনও উইকেট পাননি। মুকেশ চৌধুরীও তাঁর ৪ ওভারের স্পেলে ৪৫ রান খরচ করলেও কোনও উইকেটই পাননি। চেন্নাইয়ের সবচেয়ে সফল বোলার জেমি ওভার্টন। তিনি নিজের ৪ ওভারের স্পেলে ৩৬ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন। আংশুল কম্বোজ নিজের ৪ ওভারের স্পেলে ৪৭ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন। এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলে দুটো দলই প্রথম চারে নেই। তাই এই ম্য়াচটি দুটো দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্য়াচ। নিজের হোম ম্য়াচ হিসেবে এই ম্য়াচ জিততে মরিয়া থাকবে সিএসকে।