বেঙ্গালুরু: আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর দুরন্ত জয়। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে টানটান উত্তেজক ম্য়াচে শেষ ওভারে ২ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিল রজত পাতিদারের দল। পয়েন্ট টেবিলে তারা এই মুহূর্তে শীর্ষে রয়েছে। অশ্বমেধের ঘোড়া ছুটেই চলেছে আরসিবির। আগের বারের চ্যাম্পিয়ন দল। এবারও খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে এই মুহূর্তে শীর্ষেই রয়েছে তাঁরা। অন্য়দিকে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ফের একবার তাঁদের প্লে অফের আশা শেষ করে ফেলল লিগ পর্যায়ের সব ম্য়াচ খেলার আগেই।
এদিনের ম্য়াচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমেছিল মুম্বই। তিলক বর্মা ও নমন ধীর ছাড়া সেভাবে আর কোনও ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। রোহিত শর্মা ১০ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেন। সূর্যকুমার যাদব কোনও রানই করতে পারেননি। এদিন মুম্বই ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেন ভুবনেশ্বর কুমার। তিনি একাই ৪ ওভারে ২৩ রান খরচ করে ৪ উইকেট ঝুলিতে পুরে নেন। তিলক বর্মা ৪২ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন। তিনটি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা হাঁকান তিনি। নমন ধীর ৩২ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। তিনি পাঁচটি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা হাঁকান।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে জ্যাকব বেথেল ও বিরাট কোহলি কেউই বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি। বিরাট তো খাতাই খুলতে পারেননি এদিন। বেথেল ২৭ বলে ২৭ রান করেন। তিন নম্বরে নামা দেবদত্ত পড়িক্কল ১২ ও অধিনায়ক রজত পাতিদার মাত্র ৮ রান করে আউট হয়ে যান। ৯৪ রানের মধ্যে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সেই সময় জিতেশ শর্মা ও ক্রণাল পাণ্ড্য দলের হাল ধরেন। জিতেশ ১২ বলে ১৮ রান করলেও ক্রণাল ছিলেন ম্য়াচের সেরা ব্যাটার। ৪৬ বলে আরসিবির হয়ে ম্য়াচ জেতানো ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। যার সুবাদে দলের জয়ও মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। তবুও ডেথ ওভারে বুমরা ছিলেন। তিনি কিছুটা চমক দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। সেই মতই আরসিবির আট উইকেটও পড়ে যায় একসময়। শেষ বলে ২ রান প্রয়োজন ছিল। শেষ ওভারটি সূর্যকুমার দিয়েছিলেন রাজ বাওয়াকে। কিন্তু পারেননি তিনি অধিনায়কের আস্থা অর্জন করতে। শেষ বলে দুটো রান নিয়ে নেন দৌড়ে ভুবনেশ্বর কুমার ও রাশিক সালাম দার। বুমরা ম্য়াচে কোনও উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান খরচ করেন।