Last Updated:
তাঁর কথায়, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের স্মরণ করা শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রতি অঙ্গীকারও।
নয়াদিল্লি: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকে তৃণমূলের অন্দরেও ‘বদল-যাত্রা’ অব্যাহত৷ একের পর এক দুঁদে তৃণমূল নেতা মমতার হাত ছেড়ে ধরছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত৷ ২১ জুলাই ঘিরেও তর্জা কম নয়৷ ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কলকাতায় গুলিচালনার ঘটনায় নিহত রাজনৈতিক কর্মীদের স্মরণে নয়াদিল্লির রাজঘাটে প্রার্থনা সভার আয়োজন করতে চলেছে ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন দলের সাংসদ এবং লোকসভায় এনসিপিআই-এর চিফ হুইপ ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
দলের দাবি, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতে সংগঠিত হয়েছিল। সেই আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই রাজঘাটে এই প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এনসিপিআই-এর বক্তব্য, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু শহিদদের স্মরণই নয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংবিধানিক অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশের গুরুত্বও পুনর্ব্যক্ত করা হবে। এই উপলক্ষে ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদার তিন দফা দাবি সামনে এনেছেন। প্রথমত, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের ঘটনাকে ঘিরে গঠিত বিচারবিভাগীয় কমিশনের রিপোর্ট অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ২১ জুলাইয়ের গুলিচালনার ঘটনায় অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন মনীশ গুপ্তকে পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার সদস্য করা হয়েছিল, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। তৃতীয়ত, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ ও নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে এনে আইন অনুযায়ী দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।
ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বক্তব্য, গণতন্ত্রে সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচারের অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজঘাটে আয়োজিত এই প্রার্থনা সভায় এনসিপিআই-এর নেতা, কর্মী, সমর্থকদের পাশাপাশি ২১ জুলাইয়ের ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ইচ্ছুক সাধারণ নাগরিকদেরও অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
