কলকাতা: টলিউড তিনি অবধি পৌঁছতে পারেননি, কিন্তু তাঁকে মনে রেখেছিল। বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কথায় উঠে আসত তাঁর প্রসঙ্গ। যে তরুণ তরুণী এখনও ‘মৌচাক’ দেখেন, তাঁদের মনে হয়, এ তো তাঁদেরই গল্প। এখনও ‘আবদল্লা-মর্জিনা’ বাঙালির অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা। কিন্তু যাঁর ছটায় আরও একটু রঙিন হয়েছিল রুপোলি পর্দা, সেই অভিনেত্রী একটা সময়ের পরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন সমস্ত আলো থেকে অনেকটা দূরে। একটা সময়ে কলকাতায় থাকলেও, পরে দক্ষিণ কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে পাকাপাকিভাবে মুম্বইয়ের বাসিন্দা হয়ে গিয়েছিলেন। টলিউডের পাশাপাশি, অন্যান্য ভাষার ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। সোমবার, তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকস্তব্ধ টলিউড। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠু মুখোপাধ্যায়ের (Mithu Mukherjee) কথা লিখে, মনখারাপের কথা লিখলেন, অভিনেত্রী ও বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Roopa Ganguly)।
মিঠু মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে লিখলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়
সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠু মুখোপাধ্যায়ের পুরনো একটি সুন্দর ছবি শেয়ার করে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘সরি মিঠুদি.. খুব দেখা করার ইচ্ছা ছিল। উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ অনুষ্ঠানের সময় খুব ইচ্ছা ছিল, আমন্ত্রণ জানানোর। শুনলাম হাসপাতালে ভর্তি। কেশসজ্জা শিল্পী রিনা’র কাছে খুব শুনতাম, আপনার গল্প। জানতে চাইতাম আমার এত প্রিয় অভিনেত্রীর কথা – ভাবতাম একদিন নিশ্চই কলকাতায় ফিরবেন, দেখা হবে। এই তো কদিন আগেই দেখছিলাম চাঁদের কাছাকাছির ‘স্বপ্না’ কে….. আর সামনাসামনি দেখার সুযোগ রইল না। ওম শান্তি।’
মিঠু মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে কী বললেন রঞ্জিত মল্লিক?
সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় মিঠু মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবি শেয়ার করে নিয়ে লিখেছেন, ‘মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁর স্মৃতি ও তাঁর কাজ আমাদের মধ্যে চিরকাল বেঁচে থাকবে। গভীর শ্রদ্ধা।’ সহ অভিনেত্রীর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রঞ্জিত মল্লিক বলেছেন, ‘প্রথমে ‘মৌচাক’, তারপরে ‘স্বয়ংসিদ্ধা’… ওই ছবিগুলো এখনও মানুষের মনে অমলিন হয়ে রয়েছে। এর যতটা কৃতিত্ব আমার, ঠিক ততটাই মিঠুর। ভীষণ ভাল একজন অভিনেত্রী ছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা, কখনও মনে হত না যে উনি অভিনয় করছেন। এক্কেবারে স্বাভাবিক, প্রাণবন্ত শট দিত। তবে কাজের বাইরে যে প্রচুর গল্প করার সুযোগ পেতাম, এমন নয়। কাজের ব্যস্ততা থাকত, ক্লান্তিও। একটা সময়ে পর্দা থেকে নিজেকে একেবারে সরিয়ে নিয়েছিলেন মিঠু, প্রচার চাননি আর কখনোই। ‘