IMF Backs Indias GDP : বিরোধীদের বক্তব্য টিকল না, ভারতের জিডিপির সংখ্যাতেই সায় দিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জিডিপি পরিসংখানেই সিলমোহর দিল সংস্থা। পাশাপাশি এই নতুন পরিসংখ্যানের ভিত্তি ভারতের অর্থনীতিকে আরও নির্ভুল করে তুলবে বলে মন্তব্য করেছে IMF ।
কী থেকে এত বিতর্ক ?
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ফলে বিশ্বের অর্থনীতি যখন ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে, তখন ব্যতিক্রমী ফল দেখিয়েছে ভারত। ২০২৬-এর দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি দাঁড়িয়েছে ৭.৮ শতাংশ। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে দেশের এই আর্থিক সাফল্যের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা নিয়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক। বিরোধীরা বলতে শুরু করে, ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেশের জিডিপি দেখানো হচ্ছে। আসলে প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনকালে দেশের এই আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটছে না।
ঠিক কী বলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ?
যদিও ভারতের এই জিডিপি বৃদ্ধির সংখ্যাতেই সায় দিয়েছে IMF। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তরফে স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতের এই উদ্যোগ। পরিসংখ্যানের পরিকাঠামো নির্ভুল করতে ভারত জিডিপি নির্ণয়ে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তরফে। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, জিডিপির হিসেবে ইন্ডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন (IIP) ও প্রোডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI)-এর অন্তর্ভুক্তি এই সংখ্যাকে আরও নির্ভুল করে তুলবে।
ভারতকে সাধুবাদ এই কারণে
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর এক প্রশ্নের উত্তরে IMF-এর যোগাযোগ বিভাগের ডিরেক্টর জুলি কোজাক বলেন, ” ভারতের জিডিপির হিসেব করতে নতুন ইন্ডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন (IIP) ও প্রোডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI)-এর অন্তর্ভুক্তি কাজে লাগবে। ভারত যেভাবে দেশের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানগত কাঠামো আরও জোরদার করার পথে এগিয়ে চলেছে, আমরা অবশ্যই তাদের সেই ধারা বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে উৎসাহ দেব।”
কী নিয়ে এই বিতর্ক ?
সম্প্রতি দেশের জুন ত্রৈমাসিকের জিডিপি ঘোষণা করে ভারত। যেখানে ৭.৮ শতাংশ জিডিপি গ্রোথ দিতে সক্ষম হয় দেশ। প্রত্যাশার চেয়েও ভাল ফল দেওয়ার পরই এই নিয়ে তৈরি হয় জোর বিতর্ক। বিশেষ করে প্রাক্তন অর্থসচিব এস সি গর্গ এই পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরই এত বিতর্ক তৈরি হয়। গর্গ বলেন, গত বছরের পরিসংখ্যান কমিয়ে দেখানোর কারণে জিডিপির এই তথ্যকে কৃত্রিম ভাবে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। গত বছর চলতি মূল্যে জিডিপির পরিমাণ ছিল ৮৬ লাখ কোটি টাকা, যা পরে সংশোধন করে ৮০ লাখ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। তাঁর মতে, এই সংশোধন না করা হলে জিডিপি বৃদ্ধির হার মাত্র ২.৬ শতাংশ হতো।
আরও পড়ুন : ১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে অবসর নিলেও পাবেন অষ্টম বেতন কমিশনের সুবিধা ? এল নতুন আপডেট