নয়াদিল্লি : ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে অবশেষে নতি স্বীকার। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লির যন্তর মন্তরে এখন উৎসবের আমেজ। এর মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, ‘দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের দিকে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে একটা মিছিল করব। আর ওখানে পৌঁছে শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্না দেব। দিল্লি পুলিশের কাছে আবারও অনুরোধ, যাঁরা এখানে আসতে চাইছেন, তাঁদের আসতে দিন। কারও খাবার, জল – এইসব আপনারা আটকাতে পারেন না। যেভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে খবরের কাগজ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে – এগুলো ভীষণ বাচ্চাদের মতো কাজ। দিল্লি পুলিশের এভাবে কাজ করা উচিত নয়। এরপরেও হাজার হাজার লোক আসছে। অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক এবং বেআইনি কাজ হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ এইসব কাজ করতে পারে না। কারও খাবার, জল এবং গতিবিধি আপনারা আটকাতে পারেন না। যাঁরা আসতে চাইছেন, তাঁদের আসতে দিন। দিল্লি পুলিশ এইসব বেআইনি কাজ করা বন্ধ করুক, এটাও আমাদের দাবি।’
DEMOCRACY WINS! 🇮🇳
Education minister Dharmendra Pradhan has resigned. pic.twitter.com/DsB6hCHUzP
— Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 25, 2026
NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে দায় নিয়ে ইস্তফা দিতে হবে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে, প্রথম থেকে এটাই ছিল ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মূল দাবি। অবশেষে নতি স্বীকার করেছেন তিনি। পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এক্স মাধ্যমে একটি পোস্টও করেছেন তিনি।
— Dharmendra Pradhan (@dpradhanbjp) July 25, 2026
প্রবল চাপে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে ইস্তফা। CJP-র সঙ্গে তৃতীয় বৈঠকের ঠিক আগে পদত্যাগ। প্রবল চাপের মুখে অবশেষে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। প্রবল চাপের মুখে অবশেষে পিছু হটল মোদি সরকার। ‘গত ১০দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত। ভারতীয় যুব শক্তিই দেশের আসল শক্তি’, শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে পোস্ট ধর্মেন্দ্র প্রধানের। প্রবল চাপের মুখে শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। ‘আমি কখনই দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। দেশবিরোধী শক্তি যাতে পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে না পারে। দেশকে এক রাখতেই আমার এই ইস্তফা’, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
ইস্তফা দিতেই হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে, মূল দাবিই ছিল CJP-র। জয় হল গণতন্ত্রের, দাবি ককরোচ জনতা পার্টির। ‘লাঠিচার্জে অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে’, দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।