মালদা: হাতে অস্ত্র নিয়ে ছবি, মালদায় গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতাকে। ইতিমধ্যেই ওই তৃণমূল নেতার দুই হাতে হাতে দুটি অস্ত্র নেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ভাইরাল হওয়ার পরই পুলিশের জালে এবার রতুয়া ব্লকের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জামশেদ আলি। পুরনো ছবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে, দাবি SDPO-র তরফে করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, “এতদিন পর্যন্ত সুবিধা ভোগ করেছেন..”, নাম না করেই চন্দ্রিমাকে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের
দু’হাতে দুটো বন্দুক, সামনের দিকে তাক করে এগিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতা।পিছনে সবুজ আবীর মেখে চলছে উল্লাস।বন্দুক হাতে তৃণমূল নেতার এই ছবি ভাইরাল হয়েছে মালদায়। ইনি হলেন জামশেদ আলি।তিনি রতুয়ার চাঁদমণি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য।তাঁর এই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। চাঁচল-এর SDPO সোমনাথ সাহা জানিয়েছেন, ছবিটি পুরনো। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে রুজু হয়েছে মামলা।
মালতীপুর তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন,বেআইনি কাজ করলে তো পুলিশ ব্যবস্থা নেবেই। ‘ এদিকে বন্দুক হাতে ছবি ভাইরাল হয়েছে মালদারই এক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতার।সোশাল মিডিয়ায় ছবি ভাইরাল হতেই শেখ রিয়াজুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে রুজু হয়েছে মামলা।শেখ রিয়াজুল মালদার সামসি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিট প্রেসিডেন্ট।দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, শুধু এদের অ্যারেস্ট করলে চলবে না। এই অস্ত্র যাদের হাতে রয়েছে তাঁদের পিছনে কারা রয়েছে তাঁদেরকে শনাক্ত করতে হবে। এদিকে হুগলিতে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল এক তৃণমূল নেতাকে।
ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ ওঠে ধৃত সুরজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে।তিনি তৃণমূলের হুগলি জেলার সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি এবং জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য।তাঁর স্ত্রী অনিন্দিতা মণ্ডল হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য।অভিযোগকারী উৎপল গায়েন বলেন, ‘থ্রেট দিয়ে আমাকে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। আমি ১০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হই। আমি ১০ লক্ষ টাকা যে দিয়েছি, তার কী কী প্রমাণ আমার কাছে আছে? আমি ফোন পে-তে ওঁকে কিছু টাকা দিয়েছি, কিছু টাকা উনি আমার থেকে ক্যাশ নিয়েছেন, কিছু টাকা আবার চেকের মাধ্যম দিয়ে নিয়েছেন।’ পুলিশ সূত্রে খবর, তোলাবাজি ছাড়াও এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
Suvendu Adhikari: উত্তরবঙ্গে চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ, পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর