সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : লেকটাউনে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে মেসির মূর্তি। ৪৪ ফুটের মেসি মূর্তিটি যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মূর্তিটি অক্ষত অবস্থায় নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূর্তিটি পড়ে গিয়ে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে সেইজন্য গতকাল থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে মূর্তিটি। অক্ষত অবস্থায় এত বড় মূর্তি নামানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন PWD-র ইঞ্জিনিয়াররা। এই মূর্তি নামাতে প্রয়োজন একাধিক বিশাল ক্রেন। সেগুলো রেখে কাজ করতে গেলে লেকটাউনের মতো ব্যস্ত জায়গায় যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। বন্ধ করতে হবে বিদ্যুৎ সংযোগও। এই মূর্তির পাশেই রয়েছে সাবওয়ে। তার উপরে এত ভারী ক্রেন রাখা সম্ভব কিনা সেই নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। গতকাল PWD-র ইঞ্জিনিয়াররা, এক অধ্যাপককে নিয়ে গিয়ে মূর্তিটির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।
ইন্সপেক্টর গৌতম দাসের বদলি, আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সমাজমাধ্যমে ছবি দিয়ে বিতর্কে পড়েছিলেন তিনি
৪৪ ফুটের মেসির যে মূর্তি রয়েছে তা গত ২-৩ দিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। আজ বুধবার সকালে ইতিমধ্যেই লেকটাউনে যেখানে মেসির মূর্তি রয়েছে, সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন পিডব্লুডি- র আধিকারিকদের একটি দল। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন তাঁরা। এই মূর্তি কীভাবে অক্ষত অবস্থায় সরানো যাবে সেটাই এখন দেখার। মূর্তির কোমরের অংশ থেকে মোটা নাইলনের দড়ি দিয়ে চারদিকে থাকা মজবুত স্ট্রাকচারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই বিকেলের পর সন্ধের দিকে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইছে। হাওয়ার দাপটে মূর্তির যেন কোনও ক্ষতি না হয়, কোনও অঘটনা না ঘটে, তার জন্যই লিও মেসির ৪৪ ফুট উঁচু মূর্তি বেঁধে রাখা হয়েছে দড়ি দিয়ে। মাত্র ৫ মাস আগে তৈরি হওয়া মূর্তির এখন বিপজ্জনক অবস্থা।
মূর্তির সামনের অংশ বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। এই মূর্তির অংশের সামনে থাকা বেঞ্চে এতদিন লোকজন বসতেন, সেখানেও এখন কাউকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। পার্কের অংশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কাউকে। মূর্তির পিছনে থাকা সার্ভিস রোডটিও আপাতত বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কোনওরকমের দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেই জন্যই এত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আজ থেকেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। দমকা হাওয়ার জেরে যাতে কোনও অঘটনা না ঘটে, তাই যত দ্রুত মূর্তিটি সরানো যায় এবং পরবর্তীতে কোথায় মূর্তিটি বসানো হবে, সব নিয়েই তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন পিডব্লুডি- র আধিকারিকরা।