কলকাতা: বর্তমান দিনে আমরা প্যাকেটজাত বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করতে ও খেতে অভ্যস্ত। সুতরাং, আপনিও যদি প্যাকেটজাত দই বা অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য কিনে থাকেন, তাহলে এই খবরটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্তপূর্ণ এবং উপকারী হতে পারে। সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে একজন গ্রাহক আমুলের ‘মস্তি দই’ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। গ্রাহক দাবি করেছেন যে, দইটি ফ্রিজে রাখা সত্ত্বেও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাতে ছত্রাক দেখা দিয়েছে। এই অভিযোগের পর আমুল বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং মামলাটি এফএসএসএআই (FSSAI)-এর কাছেও পৌঁছেছে।
পুরো ঘটনাটি কী ?
একজন গ্রাহক তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ আমুলকে ট্যাগ করে দইটির ছবি পোস্ট করেন এবং প্রশ্ন তোলেন যে, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পণ্যটি কীভাবে নষ্ট হয়ে গেল। গ্রাহক আরও প্রশ্ন তোলেন যে, পুরনো পণ্যের লেবেল পরিবর্তন করে সেগুলোর মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে কি না। আমুলের ‘মস্তি দই’নিয়ে এই অভিযোগ করেছেন গ্রাহক।
গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়ে আমুল কী বলেছে ?
সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অভিযোগের পর আমুল গ্রাহকের দুর্ভোগের বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছে। আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য কোম্পানিটি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর, বাড়ির ঠিকানা এবং যে দোকান বা আউটলেট থেকে দইটি কেনা হয়েছিল, তার তথ্যও চেয়েছে।
@Amul_Coop how did your masti dahi which hasn’t expired and stored in refrigerator develop fungal growth , are you relabelling your expired goods to show shelf life left ? @fssaiindia pic.twitter.com/AFO0pXmhQu
— Naughtius Maximus (@naughtiusmaxx) September 2, 2026
কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে যে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। আমুল এর আগেও দাবি করে এসেছে যে, তাদের দুগ্ধজাত পণ্য এফএসএসএআই (FSSAI) কর্তৃক নির্ধারিত গুণগত মান মেনে তৈরি করা হয় এবং গ্রাহকের কাছে তা পাঠান হয়। কিন্তু এই ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষকে।
বিষয়টি কীভাবে এফএসএসএআই (FSSAI) পর্যন্ত পৌঁছাল ?
গ্রাহকের অভিযোগের পর, বিষয়টি ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)-এর কাছে পাঠানো হয়। এরপর FSSAI অভিযোগকারীকে তাঁর নিজ নিজ রাজ্যের খাদ্য নিরাপত্তা কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। এছাড়াও, আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করার জন্য ফুড সেফটি কানেক্ট অ্যাপটি ব্যবহার করার পরামর্শও দেওয়া হয়।