Last Updated:
বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও বিশেষ বৈঠক করলেন নয়াদিল্লিতে৷ দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনায় মূল নজর থাকবে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিতে৷
নয়াদিল্লি: রবিবার নয়াদিল্লিতে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও৷ প্রতিনিধি স্তরের বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে সন্ত্রাসবাদকে ভারত ও আমেরিকার “যৌথ চ্যালেঞ্জ” বলে উল্লেখ করা হল৷
দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনা মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের দ্রুত পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলীকে কেন্দ্র করেই হবে বলে জানা গিয়েছে। যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জয়শঙ্কর জানান, ইতিমধ্যেই দুই নেতার মধ্যে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে এবং মধ্যাহ্নভোজের সময়ও বিশেষ করে উপসাগরীয় পরিস্থিতি নিয়ে আরও আলোচনা চলবে।
তিনি বলেন, “এটি সচিবের প্রথম ভারত সফর হলেও, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।” জয়শঙ্কর আরও জানান, ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, বৈঠকে বিশ্ব ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিবর্তিত পরিস্থিতি।
“গতকাল প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সচিবের বৈঠকে একাধিক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরে দূতাবাসে আমাদের বৈঠকে পশ্চিম এশিয়া, ভারতীয় উপমহাদেশ এবং পূর্ব এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি”, জানালেন বিদেশমন্ত্রী৷
জয়শঙ্করের কথায়, “গতরাতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে বা ঘটতে চলেছে। তাই আজকের মধ্যাহ্নভোজের আলোচনায় উপসাগরীয় পরিস্থিতি ও ইউক্রেন সংঘাত বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এবং নানা বিষয়ে আমাদের স্বার্থ এক। সময়টা জটিল হলেও, শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে আমি নিশ্চিত যে আমাদের আলোচনা অত্যন্ত খোলামেলা ও ফলপ্রসূ হবে।” এছাড়াও তিনি সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান সফরের অভিজ্ঞতাও রুবিওর সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন বলে জানান।
তিনি বলেন, “ভারত ও আমেরিকার অভিন্ন স্বার্থ যেমন রয়েছে, তেমনই কিছু যৌথ চ্যালেঞ্জও রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম সন্ত্রাসবাদ। এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট।”
তিনি আরও বলেন, এই ক্ষেত্রে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতাকে ভারত গুরুত্ব দেয় এবং ২৬/১১ মুম্বই হামলার এক গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণের জন্য আমেরিকাকে ধন্যবাদ জানান।
Kolkata,West Bengal
