এতগুলো দিন ধরে তিনি অনশন। শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক। দ্রুত খাবার খাওয়ানো না গেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর পরিস্থিতি কী, শারীরিক অবস্থা কেমন, নিয়মিত সেই খোঁজটাও নেওয়া হয় না। যা নিয়ে এবার উষ্মাপ্রকাশ করেছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, প্রত্যেক নাগরিকের জীবন মূল্যবান। তাই নিয়মিত সোনমের মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে হবে। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দিতে হবে। তাঁর জীবন বাঁচানোর সবরকম চেষ্টা সরকারকে করতে হবে। লাদাখের প্রকৌশলী, শিক্ষা সংস্কারক এবং উদ্ভাবক হিসেবে পরিচিত সোনম ওয়াংচুক আজ যে জায়গায় পৌঁছেছেন, তার পিছনে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক ও ভাষাগত বাধা অতিক্রম করার গল্প। হিমালয়ের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের বাড়িতে পড়াশোনা শুরু করা এক শিশুর থেকে শুরু করে এনআইটি শ্রীনগরে শিক্ষিত একজন প্রকৌশলী এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষিত টেকসই স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠা পর্যন্ত, সোনম ওয়াংচুকের শিক্ষাজীবন তাঁর এই বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটায় যে শিক্ষা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। (File Photo)
