Last Updated:
সায়নী ঘোষ এখন আলোচনার কেন্দ্রে৷ রাজনীতিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সায়নী৷ এনডিএ-র শরিক হতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে লেখা বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের চিঠিতে সায়নী ঘোষও সই করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে৷
কলকাতা: বাংলা রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্র বহু নেতা-নেত্রীদের মধ্যে সায়নী ঘোষ অন্যতম৷ সাংসদ হিসেবে নিজের ক্ষমতা প্রমাণ করেছেন সায়নী৷ জনপ্রতিনিধি হিসেবে পেয়েছেন জনপ্রিয়তা৷ সংসদ হোক বা রাজনৈতিক মঞ্চ, সায়নীর বক্তব্যের ধার যথেষ্ট৷ যতই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হোন না কেন, সায়নীর প্রথম পরিচয় অবশ্যই একজন অভিনেত্রী হিসেবে৷ তিনি নিজেও সেকথা বলেছেন বহুবার৷ স্বীকার করে নিয়েছেন যে তাঁর প্রথম প্রেম সিনেমা এবং দ্বিতীয় রাজনীতি৷ সেভাবেই নিজের জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন এই বঙ্গকন্যা৷ টেলিভিশনে অভিনয় দিয়ে কাজ শুরু৷ তারপর ছবি এবং ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন সায়নী ঘোষ৷ চিরকালই বাছাই করা কাজ করতে পছন্দ করেন তিনি৷ কখনও নিজের কাজের সঙ্গে আপোস করেননি৷ রাজনীতিতে পা রাখার পরও অভিনয় থেকে দূরে সরে যাননি৷ তবে সময় কম থাকায় সিনেমার কাজ কমিয়ে দিয়েছিলেন৷
অনেকগুলো ছবিতে অভিনয় করেছেন সায়নী৷ বেশ কিছু সাহসী চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷ সাহসী অর্থাৎ চরিত্রগুলো বিশেষ বার্তা দিয়েছে সামাজিক নিয়মের বিরুদ্ধে৷ সেভাবেই নিজের ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন অভিনেত্রী৷ তাই কখনওই তাঁকে সিনেমায় খুব হালকা চালে পাওয়া যায়নি৷ সেই সায়নীর জীবনেও ছিল মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি ছবি!
তাঁর দাপুটে অভিনয়ে তিনি সবসময় নজর কেড়েছেন৷ ফলে বাঙালি পরিচালকদের পছন্দের তালিকায় সায়নী ঘোষের নাম ছিলই৷ তা সে সৃজিৎ মুখার্জি হোক বা অনীক দত্ত, এদের ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সায়নী৷ রাজকাহিনীর মতো নারী কেন্দ্রিক ছবিতে তিনি ছিলেন কোলি আবার অনীক দত্তের অপরাজিত ছবিতে সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী-র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সায়নী ঘোষ৷
তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো অবশ্যই শত্রু (২০১১), রাজকাহিনী (২০১৫), মায়ের বিয়ে (২০১৫) , মেঘনাদ বধ রহস্য (২০১৭), দ্বিখণ্ডিত (২০১৯), অন্দরকাহিনি (২০১৯), ড্রাকুলা স্যার (২০২০), অপরাজিত (২০২২)৷ কিছুদিন আগে তাঁর ছবি লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল রিলিজ করেছিল, যা প্রশংসা কুড়িয়েছিল সব মহলে৷
২০১০ সাল থেকে অভিনয়ে পা দেন সায়নী৷ ২০১৩-এ রাজ চক্রবর্তীর ছবি কানামাছি তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়৷ এই ছবিতে পায়েলের চরিত্রে অভিনয় সকলের মন জয় করেন এবং টলিউডে তাঁর পায়ের তলার মাটি শক্ত করেন৷ এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি৷ সায়নী একের পর এক ছবিতে সুযোগ পান৷
সায়নী একজন দক্ষ গায়িকা এবং প্লেব্যাকও করেছেন একটি অতি জনপ্রিয় সিনেমায়৷ ছবির নাম বোঝে না সে বোঝে না৷ রাজ চক্রবর্তীর এই সুপারহিট ছবিতে অ্যাশ কিং-এর সঙ্গে জুটিতে গান গেয়েছেন সায়নী৷ গানটি হল কঠিন৷ এই গানের জন্য তিনি জিতেছিলেন পুরস্কারও৷
Kolkata,West Bengal
Jun 11, 2026 12:49 PM IST
