Last Updated:
কলকাতা থেকে ‘উঠে গেল’ তৃণমূলের পার্টি অফিস। খালি করে দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের সদর দফতর। খালি করা হচ্ছে ইএম বাইপাসের ধারে তৃণমূল ভবন। ২০২২ থেকে ভাড়া বাড়িতে তৃণমূল ভবন। তৃণমূলকে বাড়ি খালি করার নোটিস দেন বাড়িওয়ালা। এবার মেট্রোপলিটন অফিস খালি করছে তৃণমূল। শুরু হয়েছে তৃণমূল ভবন খালি করার কাজ।
আবীর ঘোষাল, কলকাতা: কলকাতার মেট্রোপলিটনে অস্থায়ী তৃণমূল ভবন নিয়ে সঙ্কট ছিলই। এবার বাইপাসের কাছে ক্যানাল রোডের সেই অস্থায়ী পার্টি অফিস সরানোর কাজ শুরু হয়ে গেল। মঙ্গলবার ভবনের চতুর্থ ও তৃতীয় তল থেকে মালপত্র সরানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। ফ্লেক্স, ব্যাকড্রপ, চেয়ার-টেবিল-সহ যাবতীয় বিষয় সরাতে বলা হয়েছিল আগেই। এবার সেই সব জিনিস সরিয়ে নীচে নামিয়ে ফেলা হয়েছে। ধাপে ধাপে বাকি দুই তলের জিনিসও সরানো হবে বলে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক মন্টু সাহা।
২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পর থেকেই উত্তর পঞ্চান্নগ্রামে বাইপাসের ধারে পুরনো তৃণমূল ভবন ভেঙে ফেলে নতুন করে নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই সময় থেকেই কলকাতারই মেট্রোপলিটনের একটি পাঁচতলা বাড়ি অস্থায়ী তৃণমূল ভবন হিসাবে ব্যবহার শুরু হয়। সবই ঠিক ছিল। কিন্তু ভোটে হারার পরেই ওই বাড়ির মালিক মন্টু সাহা বেঁকে বসেন। শুরু হয় টানাপড়েন। মালিক মন্টুর দাবি, বার বার বলার পরেও ওই ভবন খালি করছে না তৃণমূল। সেই অভিযোগ নিয়েই প্রগতি ময়দান থানার দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তার পর তৃণমূলের পক্ষ থেকেও থানায় গিয়েছিলেন কুণাল এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
বাড়িভাড়া সংক্রান্ত যাবতীয় নথি থানায় জমা করেছেন কুণালেরা। একই সঙ্গে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। তাতে বলা হয়েছে, অস্থায়ী কার্যালয় হিসাবে মেট্রোপলিটনের ওই বহুতলটি ব্যবহার করছিল তৃণমূল। তবে এখন সেটি স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। সেই অবস্থায় পুলিশ বা প্রশাসন যেন অহেতুক হস্তক্ষেপ না করে।
শেষমেষ মঙ্গলবার থেকেই শুরু বাড়ি খালি করার কাজ। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তপসিয়ায় পার্টি অফিস সংষ্কারের কাজ এখনও বাকি। ফলে দলের কাজ কোথা থেকে চলবে সেই বিষয়ে এখনও কেউ নিশ্চিত নয়। মনে করা হচ্ছে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকেই দলের কাজ চালানো হবে।
Kolkata,West Bengal
Jun 17, 2026 10:00 AM IST
