Last Updated:
Lucknow Coaching Centre Fire: লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ভবনটির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালেই ভাঙার নির্দেশ জারি হয়েছিল। তবে পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়। কেন এবং কী কারণে ওই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়েছিল, তা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।
লখনউঃ লখনউয়ের আলিয়াঞ্জের বহুতলে সোমবারের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ভয়াবহ ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। যে তিনতলা বাণিজ্যিক বহুতলে আগুন লাগে, সেটির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে অননুমোদিত নির্মাণ হওয়ায়, ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে, দু-মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সেই আদেশ প্রত্যাহার করা হয় বলে সোমবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।
অভিজাত আলিয়াগঞ্জ স্কিম এলাকার সেক্টর ডি-তে অবস্থিত বহুতলটি মূলত ১৯৮০ সালের ১১ জুলাই, লটারির মাধ্যমে কেনার প্রকল্পের অধীনে রামেশ্বর সহায়ের পুত্র বিজয় কুমারকে বরাদ্দ করা হয়। ২০০৫ সালে সম্পত্তিটি বিজয় কুমার এবং তাঁর স্ত্রী ঊষার নামে নিবন্ধিত হয়। পরবর্তীতে তাঁরা ২০১৩ সালের ১৯ জানুয়ারি তাঁরা সেই বহুতল বীরেন্দ্র প্রতাপ শুক্লা এবং সুরেন্দ্র প্রতাপ শুক্লার কাছে বিক্রি করে দেন। ২০১৪ সালের ৭ অগাস্ট, লখনউ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এলডিএ) বীরেন্দ্র এবং সুরেন্দ্র শুক্লার নামে মিউটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
প্রায় ১,৯৯২ বর্গফুট আয়তনের বহুতলটি ২০১৪ সালের ২০ অগাস্ট আবাসিকদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়। তবে, পরে ওই বহুতলে অবৈধ নির্মাণকাজ হয়। এলডিএ পরবর্তীতে বীরেন্দ্র প্রতাপ শুক্লার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। তদন্তের পর, ২০১৬ সালের ১০ মে অননুমোদিত নির্মাণকাজ ভাঙার নির্দেশ জারি হয়। তবে, ভাঙার নির্দেশ জারির দু’মাস পর, ২০১৬ সালের ৫ জুলাই তা প্রত্যাহার করা হয়, যা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
সূত্রের খবর, যে পরিস্থিতিতে ভাঙার নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত ছ’জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্ত চলায় চারজন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
Kolkata,West Bengal
Jun 23, 2026 10:58 AM IST
