Last Updated:
গত বছর ৭ মে থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত৷ চার দিন ধরে তুমুল সামরিক সংঘাত চলার পর ১০ মে থেকে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় দু পক্ষ৷
অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় সেনার ৫ জন এবং ভারতীয় বায়ুসেনার ১ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছিলেন৷ অপারেশন সিঁদুরের এক বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবার এই তথ্য সামনে আনল কেন্দ্রীয় সরকার৷ পহলগাঁও হামলার পাল্টা পাকিস্তানকে জবাব দিতে গিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর যে ৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে৷ নয়াদিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে এই ৬ জনের নামও খোদাই করা থাকবে৷
পহলগাঁওয়ে সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যার জবাব দিতে গত বছর মে মাসে পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিগুলি ধ্বংসের লক্ষ্যে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত৷ দু দেশের মধ্যে শুরু হয় তীব্র সামরিক সংঘাত৷ ভারতের স্থল এবং বায়ুসেনার আগ্রাসনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় পাকিস্তানের৷
২০২৫ সালে সেনাবাহিনীর যে সদস্যরা দেশের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছেন, তাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে অপারেশন সিঁদুরে নিহত সশস্ত্র বাহিনীর ৬ জন সদস্যের নামও প্রকাশ করা হয়৷ অপারেশন সিঁদুরে প্রাণ হারানো ওই ৬ জন হলেন সুবেদার মেজর পবন কুমার, রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, ল্যান্সনায়েক দীনেশ কুমার, অগ্নিবীর মুরলী নায়েক, হাবিলদার সুনীলকুমার সিং এবং ভারতীয় বায়ুসেনার সার্জেন্ট সুরেন্দ্র কুমার৷
জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উৎসর্গ করে ১৬টি ত্যাগ চক্র রয়েছে৷ গ্র্যানাইট পাথরের ১৬টি বিশাল গোলাকার দেওয়ালে শহিদদের নাম খোদাই করা থাকে৷ দেশের জন্য আত্মবলিদান দেওয়া সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্যের নাম, পদ এবং তারা কোন ইউনিটের সদস্য, তার উল্লেখ থাকে৷ স্বাধীনতার পর থেকে সামরিক বাহিনীর যে সদস্যরা আত্মবলিদান দিয়েছেন, তাঁদের নাম এই ত্যাগ চক্রে জায়গা পায়৷
চার দিন ধরে চলা সংঘাতে ভারতীয় হামলা প্রতিহত করে প্রত্যাঘাতের মরিয়া চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান৷ ভারতীয় আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে একাধিক ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়৷ ছোড়া হয় মিসাইলও৷ যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাকিস্তানের এই সমস্ত চেষ্টা ভেস্তে যায়৷ ভারতীয় হামলায় পাকিস্তানে মাটিতে থাকা একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি যেমন গুঁড়িয়ে গিয়েছিল, একই ভাবে পাকিস্তানের বায়ুসেনারও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়৷
Kolkata,West Bengal
