হাওড়া ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) বিশাল কাপুরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই বৃহৎ ইঞ্জিনিয়ারিং ও ট্র্যাকশন ডিস্ট্রিবিউশন সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬টি টাওয়ার ওয়াগনের সাহায্যে মোট ১০টি শ্যাডো ব্লক ব্যবহার করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ওভারহেড সরঞ্জামের সংস্কার করা হয়।
১,০১৮ মিটার জীর্ণ কন্টাক্ট ওয়্যার (সর্বনিম্ন ব্যাস ৮.৪২ মিমি) ১,২০৭ মিটার কন্টাক্ট ওয়্যার (সর্বনিম্ন ব্যাস ৮.৬৪ মিমি) আরও ৪০০ মিটার কন্টাক্ট ওয়্যার (সর্বনিম্ন ব্যাস ৮.৫৮ মিমি) ওভারহেড সরঞ্জামের বড়সড় সংস্কার…
শ্যাডো ব্লকের সময় ওভারহেড ইকুইপমেন্টের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে একাধিক রক্ষণাবেক্ষণের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
রেল সূত্রের দাবি, এই কাজগুলির ফলে ওভারহেড তারে আকস্মিক ত্রুটির সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং ট্রেন চলাচল আরও নির্ভরযোগ্য হবে।
একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ার (পার্মানেন্ট ওয়ে), ডানকুনির অধীনে ব্যাপক ট্র্যাক নবীকরণের কাজও করা হয়েছে।
ক্যালকাটা কর্ড লিঙ্ক ওয়েস্ট–ভট্টনগর–বাল্টিকুড়ি ডাউন অ্যাভয়েডেন্স লাইনে সকাল ৭টা ২০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া ট্রাফিক ব্লকের সময়—
ক্যালকাটা কর্ড লিঙ্ক ওয়েস্ট–ডানকুনি জংশন সেকশনেও দুটি মাল্টি-পারপাস ট্যাম্পিং মেশিন এবং একটি ডুওম্যাটিক মেশিন ব্যবহার করে ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, এই আধুনিক যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণের ফলে ট্র্যাকের ক্ষয় কমবে, গতিনিষেধের প্রয়োজন কমবে এবং যাত্রীরা আরও মসৃণ ও ঝাঁকুনিহীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাবেন।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি বলেন, “শিয়ালদহে ব্লক চলাকালীন একই সময়ে হাওড়ায় পরিকল্পিতভাবে শ্যাডো ব্লক কার্যকর করে আমরা যাত্রীদের অতিরিক্ত কোনও ভোগান্তি ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাক ও ওভারহেড পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ করেছি। এই কৌশলগত রক্ষণাবেক্ষণ ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ, মসৃণ এবং সময়ানুবর্তী ট্রেন পরিষেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”