Last Updated:
TMC Nirmal Ghosh: ঋতপন্থী তৃণমূল শিবিরে কি সত্যিই যোগ দিচ্ছেন নির্মল ঘোষ? এই প্রশ্নে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি৷ তবে এবার তৃণমূলের নির্মল-অস্বস্তি কাটালেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা: নির্মল-অস্বস্তি কাটাতে আসরে এবার খোদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ যোগ দিচ্ছেন নব্য তৃণমূল শিবিরে, এই নিয়েই গতকাল, রবিবার থেকেই আলোচনা রাজ্যজুড়ে৷ তবে, ঋতব্রত খোদ জানালেন, বিদ্রোহী শিবিরে এক নির্মল ঘোষ যোগ দিচ্ছেন বটে, তবে তিনি পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ নন৷ আসল গণ্ডগোল শুরু হয় নাম বিভ্রাট থেকে৷
শনিবার বৈঠক মিটে যাওয়ার পরেই, ঋতব্রত সাফ জানালেন, ‘‘পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তাঁকে তো মিটিংয়ে আমরা কেউ ডাকিনি। আমাদের পরিকল্পনায় তিনি নেই। বৈঠকে ডাকার প্রশ্নও নেই।’’ তাহলে কোন নির্মল ঘোষ দিচ্ছেন ঋতপন্থী তৃণমূলে? নির্মল নিয়ে নাম বিভ্রাটও খোলসা করলেন ঋতব্রতই। তিনি বলেন, ‘‘যে নির্মল ঘোষ আমাদের কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন, তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের শ্রমিক নেতা নির্মল ঘোষ।’’
প্রসঙ্গত, শনিবার ঋতব্রত তৃণমূল’-এর বৈঠকে হঠাৎ দেখা যায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে৷ বৈঠক চলাকালীন আচমকাই সেখানে উপস্থিত হন তিনি৷ এরপরেই তাঁর শিবির বদলের জল্পনা বাড়তে থাকে৷
শোনা গিয়েছিল তাঁকে নাকি খুঁজছে পুলিশ, তাই এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয় এই বৈঠকে। তিনি বৈঠকে ঢোকার সময় বলেন, “আমি কোথাও পালিয়ে নেই”। ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে নির্মল ঘোষের জবাব, “কে কোথায় আছে আমি কী করে জানব”৷
বৈঠক শেষে বেরোনোর পথে নির্মল ঘোষ বলেন, “আমি আজকে আমন্ত্রিত ছিলাম, তবে আমাকে নেওয়া হবে কি হবে না সেটা পরবর্তীকালে জানতে পারবেন। আমি এবার প্রার্থী ছিলাম না, ফলে আমি লুকিয়ে ছিলাম না পালিয়েছিলাম সে সম্বন্ধে বলা যাবে না”। যদিও বৈঠক শেষে ঋতব্রত জানালেন, তিনি নাকি আমন্ত্রিত ছিলেন না৷
পানিহাটির রাজনীতিতে নির্মল ঘোষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচবার পানিহাটির বিধায়ক ছিলেন নির্মল ঘোষ। ১৯৯৬ সালে প্রথম পানিহাটির বিধায়ক হন তিনি। ২০২৬ সালে নির্মল ঘোষের বদলে তৃণমূল টিকিট দেয় তাঁর পুত্র তীর্থঙ্ককর ঘোষকে। তারপরে অভয়ার মা রত্না চক্রবর্তীর কাছে পরাজিত হন তীর্থঙ্কর ঘোষ।
Kolkata,West Bengal
