Last Updated:
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারি এড়াতে বার বার নিজের অবস্থান বদল করতে থাকে অভিযুক্ত৷ দিল্লির আনন্দ বিহার থেকে একাধিক শহর হয়ে সে উত্তর প্রদেশে পৌঁছয়৷
স্ত্রীকে খুন করে পালিয়েছিল৷ শেষ পর্যন্ত তিন দিন পর অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ জানা গিয়েছে ৫২ বছর বয়সি ওই অভিযুক্তকে উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷
জানা গিয়েছে, দিল্লির সিলামপুরের বাড়িতে নিজের স্ত্রীকে খুন করে গা ঢাকা দিয়েছিল ওই ব্যক্তি৷ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম সেলিম৷ তিন দিন ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর তাকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷
গত বৃহস্পতিবার ৪৫ বছর বয়সি এক মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর বাড়ি থেকেই উদ্ধার করে পুলিশ৷ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা৷
ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল মহিলার স্বামী সেলিম৷ তাঁকেই মূল সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নিয়ে সেলিমের খোঁজ শুরু করে পুলিশ৷ সেলিমের খোঁজে একাধিক দলও গঠন করে দিল্লি পুলিশ৷ খতিয়ে দেখা হয় সিসিটিভি ফুটেজ৷ তাঁর গতিবিধি ট্র্যাক করতে প্রযুক্তিরও সাহায্য নেওয়া হয়৷
মোরাদাবাদ, রামপুর, লখনউ, শাহজাহানপুর সহ বেশ কয়েকটি শহরে ঘোরে সে৷ বিভিন্ন শহর ঘুরে আবার মোরাদাবাদেই ফিরে আসে সেলিম৷ মোরাদাবাদ স্টেশনের কাছ থেকেই সেলিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷
জেরায় নিজের স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে সেলিম৷ সে জানিয়েছে, তাঁর স্ত্রী চাকরি করতেন৷ সহকর্মীর সঙ্গে স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করত সেলিম৷ এই নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায়শই অশান্তিও হত৷ শেষ পর্যন্ত সেই সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করে সে৷
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ফের স্ত্রীর সঙ্গে বচসা শুরু হয় সেলিমের৷ রাগের মাথায় কাচি দিয়ে স্ত্রীকে বারংবার আঘাত করতে শুরু করে সেলিম৷ এর পর রক্তাক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে ফেলে রেখে পালায় সে৷ ধৃতের বয়ানের ভিত্তিতেই খুনে ব্যবহৃত কাচিটি উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ উদ্ধার করা হয় খুনের সময় পরে থাকা সেলিমের রক্তমাখা জামাকাপড়ও৷ পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার আগে সেলিমের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নথিবদ্ধ হয়নি৷
Kolkata,West Bengal
