Last Updated:
কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে পুরো বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করার জন্য প্রস্তাব আনেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘাওয়াল৷
এ দিনই লোকসভার বাদল অধিবেশন থেকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা৷ অভিযোগ, এনসিপিআই-এর মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন কুল্যাণ৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে উদ্দেশে করেও কুকথা বলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ৷
এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার অভিযোগ করেন, সাংসদ মিতালি বাগকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেছেন কল্যাণ৷ এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া মিতালি বাগও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নাম না করে কল্যাণকে জবাব দিয়েছেন৷
এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া আরামবাগের সাংসদ লিখেছেন, ‘আমার অপরাধ আমি একজন নারী আর দলিত পরিবারের সন্তান৷ দলিত ঘরে জন্মানো কোনও পাপ নয়৷ আর তাতে কেউ রাস্তার মেয়ে হয়ে যায় না৷ যাঁরা রাস্তার মেয়ে বলে চিৎকার করছেন, তাঁদের বলি, আমারও জন্ম পরিচয় আছে৷’

সাসপেনশন নিয়ে কী বলছেন কল্যাণ?
লোকসভা থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করা হলেও নিজস্ব মেজাজেই রয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিশানা করে কল্যাণ বলেন, ২০ জন বেইমানকে আমরা দেখে নেবো৷ আমাকে সাসপেন্ড করে কী হবে? ঘর থেকে বেরোতে পারছে না৷ ২০ জনের দল তো? কলকাতায় একটা সভা করতে পেরেছে? ২০ জনের দলের ২০টা ভোটার নেই৷ সব গদ্দার, সব বেইমান৷ আজকেই তো শেষ নয়৷ এক বছর পর এই সরকারের পতন হবে৷
এই ইস্যুতে অবশ্য কল্যাণের পাশেই দাঁড়িয়েছে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ দলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়ের অভিযোগ, কল্যাণকে সাসপেন্ড করার আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি৷ তাই অধ্যক্ষের কাছে কল্যাণেপ সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি জানাবেন তাঁরা৷
Kolkata,West Bengal
