মুম্বই : ‘ড্রাগ কেসে ফাঁসিয়ে দেব… জীবন বরবাদ হয়ে যাবে…’ – ঠিক এই ভাষাতেই এক পুলিশকর্মীকে শাসানি দিতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন তরুণকে। এক্স মাধ্যমে মুম্বই কংগ্রেসের তরফে এই ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। এবিপি আনন্দ এই ভিডিও- র সত্যতা যাচাই করেনি।
কী বলছেন ওই পুলিশকর্মী
মুম্বই কংগ্রেস এক্স মাধ্যমে তাদের হ্যান্ডেল থেকে যে ভিডিও শেয়ার করেছে সেখানে দেখা গিয়েছে গাড়িতে চালকের আসনে বসে রয়েছেন এক ব্যক্তি যাঁর পরনে পুলিশের উর্দি। ওই ব্যক্তি পিছনের আসনে বসে থাকা কয়েকজনের উদ্দেশে বলছেন, ‘এখানে যদি আর কোথাও দেখি তাহলে আমার থেকে খারাপ কেউ হবে না। সোজা ৫০ গ্রাম পাউডারের প্যাকেট পকেট দিয়ে দেব। ব্যাস জীবন শেষ। জামিনও পাবে না। তোমাদের জন্য আমাদের যত সমস্যা। যদি দেখি আবার ঘুরে এসেছ…’
ভিড়ে ঠাসা বাজারের মধ্যেই জঙ্গি হামলা, চোখের নিমেষে গুলিতে ঝাঁঝরা জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশকর্মী
एक वायरल वीडियो में दावा किया गया है कि @MumbaiPolice प्रदर्शन कर रहे छात्रों को धमका रही है कि अगर वे दोबारा प्रदर्शन करने लौटे, तो उन्हें झूठे ड्रग्स के मामले में फँसा दिया जाएगा और पूरी ज़िंदगी जेल में सड़ना पड़ेगा।
अगर यह सच है, तो यह सिर्फ़ छात्रों को डराने की कोशिश नहीं,… pic.twitter.com/36KescEmro
— Mumbai Congress (@INCMumbai) July 23, 2026
সত্যিই কি মুম্বই পুলিশের এক কর্মী কয়েকজন ছাত্র, যাঁরা প্রতিবাদে অংশ নিয়েছে, তাঁদের মিথ্যে ড্রাগ কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন? দাবি করা হচ্ছে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন ওই ছাত্ররা। আর তার জেরেই তাঁদের ভাগ্যে জুটেছে পুলিশের এমন শাসানি। দিল্লির যন্তর মন্তরেই যে শুধু প্রতিবাদ চলছে তা নয়। নিট- এর প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা ধরনের কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন পড়ুয়ারা। বাদ যায়নি বাণিজ্যনগরী মুম্বইও। গত কয়েকদিন ধরে শিবাজী পার্ক, চেম্বুর এবং আজাদ ময়দান – মুম্বই শহরের এইসব জায়গায় ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদে শামিল হতে দেখা গিয়েছে।
২ লস্কর জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তাবাহিনী, অনন্তনাগে পুলিশের মৃত্যুর পরেই বড় পদক্ষেপ
অনুমান, ভিডিওতে যে ছাত্রদের দেখা গিয়েছে, সম্ভবত তাঁদের কোনও প্রতিবাদস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। তারপর গাড়িতে বসিয়ে তাঁদের রীতিমতো শাসানি দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ। অন্যদিকে, শোনা যাচ্ছে, মুম্বই পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল। শোনা যাচ্ছে, ওই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।