Last Updated:
জল জীবন মিশনের দুর্নীতি নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে এফআইআর চালু করা হবে, বিধানসভায় জানালেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী অজয় পোদ্দার। তাঁর বক্তব্য, ‘‘কে কাটমানি খেয়েছে আমি দেখব না। কল আছে কিন্তু জল নেই। এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী ঠিকাদার, সরকারি আধিকারিক ইঞ্জিনিয়ার, পঞ্চায়েতের লোকজন। পাঁচ দিনের মধ্যে বিধায়কদের বই দেব। তাতে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ থাকবে। আর ১৫ দিনের মধ্যে এফআইআর চালু হবে।’’
আবির ঘোষাল, কলকাতা: জল জীবন মিশন প্রকল্পে দুর্নীতি। অভিযুক্তদের তালিকায় থাকা কন্ট্রাক্টরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দারের। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জবাবি ভাষণে মন্ত্রী অজয় পোদ্দার কড়া ভূমিকার কথা শোনান।
এই প্রকল্পের অধীন মোট প্রায় ২০০ জন কন্ট্রাক্টর রয়েছেন যারা ৭০ শতাংশ কাজ পান আর ৫,২০০ জন এমন কন্ট্রাক্টর রয়েছেন যারা ৩০ শতাংশ কাজ পান। ওই ২০০ কন্ট্রাক্টরের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যারা ১০০ শতাংশ টাকা পেয়ে গিয়েছেন কিন্তু কাজ করেছেন মাত্র ৪০ শতাংশ। মূলতঃ এদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করা হবে এবং দোষী সাব্যস্ত হলে ১৫ দিনের মধ্যে FIR করে এদের গ্রেফতার করা হবে। এমনটাই জানানো হয়েছে ৷
কন্ট্রাক্টর ছাড়াও যেসব সরকারি অফিসার এইসব দুর্নীতির ক্ষেত্রে ফাইলে সই করেছেন তাদেরকেও তদন্তের আওতায় এনে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা (সাসপেন্ড) নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার।
তিনি আরও বলেন, ৭৫ শতাংশের বেশি কাজ যারা করেছেন তাদের ধাপে ধাপে টাকা মেটানো হবে। ২০২৮-এর মধ্যে রাজ্যের প্রতিটা বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার টার্গেট ফুলফিল করা হবেই।
১৫ দিনের মধ্যে সব বিধায়কদের কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়া হবে। চিঠির মাধ্যমে তাঁর এলাকায় জল জীবন মিশনের কাজ কী অবস্থায় রয়েছে, কতটা এগিয়েছে বা কতটা বাকি রয়েছে সব জানতে চাওয়া হবে। সেই চিঠি পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে পানীয় জল পৌঁছানোর কাজ করা হবে।
Kolkata,West Bengal
