Last Updated:
RPF: বিভিন্ন স্টেশনে নজরদারি চালানোর সময় একাধিক জায়গায় নাবালক ও নাবালিকা উদ্ধার।
কলকাতা: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী ধারাবাহিক নজরদারি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিপদে পড়া শিশু ও যাত্রীদের সুরক্ষায় নিষ্ঠা-সহ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ১৮ থেকে ২০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে, আরপিএফ কর্মীরা বিভিন্ন রেল স্টেশন ও ট্রেন থেকে বেশ কয়েকজন নাবালককে উদ্ধার করেন এবং যথাযথ যত্ন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিশু কল্যাণ কমিটি, চাইল্ড হেল্পলাইন ও অন্যান্য অনুমোদিত সংস্থার কাছে তাদের সুরক্ষিতভাবে হস্তান্তর করেন।
সাম্প্রতিক উদ্ধারকাজগুলির মধ্যে, আরপিএফ কর্মীরা ১৮ জুলাই নিউ আলিপুরদুয়ার রেল স্টেশনে ১২ বছর বয়সের একটি ছেলেকে উদ্ধার করেন এবং আলিপুরদুয়ারের শিশু কল্যাণ কমিটির হাতে তুলে দেন। ১৯ জুলাই তারিখে নিউ বঙাইগাঁওয়ে আরপিএফ ট্রেন নং ২২৫০৪-এ ভ্রমণরত চারজন নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার করে এবং পরবর্তী তত্ত্বাবধানের জন্য তাদের সুরক্ষিতভাবে বঙাইগাঁওয়ের শিশু কল্যাণ কমিটির হাতে তুলে দেয়। একই দিনে, কিষাণগঞ্জে আরপিএফ ট্রেন নং. ১৫৯১০ থেকে ১০ বছরের এক ছেলেকে উদ্ধার করে চাইল্ড হেল্প লাইন, কিষাণগঞ্জের হাতে তুলে দেয়।
কাটিহারে আরপিএফ কর্মীরা কাটিহার রেল স্টেশন থেকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করেন ও চাইল্ড লাইন কাটিহারের হাতে তুলে দেন। আরেকটি অভিযানে, আরপিএফ-এর ট্রেন এসকর্ট পার্টি ট্টেন নং. ১২৫০৫-এ ভ্রমণরত ১৪ বছর বয়সের এক কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং তাকে নিরাপদ হেফাজতে রেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। একই অভিযানে ১৮ বছর বয়সের এক তরুণকেও সুরক্ষিতভাবে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
শিশু সুরক্ষার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার প্রদর্শন করে, গোয়ালপাড়ায় আরপিএফ কর্মীরা ২০ জুলাই ট্রেন নং. ৭৫৭২৪ থেকে একটি ১৩ বছর বয়সের মেয়েকে উদ্ধার করে এবং শিশু কল্যাণ কমিটি, গোয়ালপাড়ার কাছে হস্তান্তর করে। কামাখ্যা রেল স্টেশনে আরপিএফ এবং এনজিও প্রতিনিধিদের যৌথ প্রচেষ্টায় ট্রেন নং. ১২৫০৫-এ ভ্রমণরত ১৬ বছর বয়সের এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয় এবং তাকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রেলওয়ে চাইল্ড লাইন, গুয়াহাটির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সময়কালে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের আরপিএফ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশন ও ট্রেন থেকে নারী ও পুরুষসহ মোট ৪৩০ জন ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে, এর মাধ্যমে শিশু সুরক্ষা ও যাত্রীদের সুরক্ষার প্রতি তাদের অবিচল প্রতিশ্রুতিই প্রতিফলিত হয়েছে।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল একটি সুরক্ষিত রেল পরিষেবা পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী যত্ন ও সহায়তার প্রয়োজন থাকা শিশুদের সুরক্ষায় এবং যথাসম্ভব তাদের পরিবারের সাথে পুনর্মিলন ঘটাতে শিশু কল্যাণ কমিটি, চাইল্ড হেল্পলাইন, বিভিন্ন এনজিও এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে চলেছে।
