কলকাতা: অবসরের পর সকলেই চায় একটা শান্তির জীবন। আর জীবনে শান্তি রাখতে গেলে টাকা পয়সার প্রয়োজন তো আছেই। কিন্তু আপনি যদি ৬০ বছরে না কোরে, একটু আগে, ৫০ বছরেই রিটায়ার করতে চান, তাহলে মাসিক আপনার কত টাকা জমাতে হবে? যাতে ৫০ বছর বয়সে আপনার হাতে ১০ কোটির একটা বিরাট তহবিল থাকে।
আমরা যদি ঐতিহাসিক ভাবে দেখি তাহলে দেখতে পাব যে কোনও ইনডেক্স ফান্ড গড়ে ১২ শতাংশ রিটার্ন দিয়ে থাকে। আর সেই হিসাব করে আমরা যদি অঙ্ক কষি তাহলে দেখা যাবে কত বছর বয়স থেকে বিনিয়োগ শুরু করলে মাসিক কত টাকা জমাতে হবে। যেমন কারও বয়স যদি এখন ২৫ বছর হয়, তাহলে তাকে মাসিক ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা করে জমাতে হবে। তাহলে ঠিক ২৫ বছর পর, অর্থাৎ যখন ওই ব্যক্তির ৫০ বছর বয়স হবে, তখন তার হাতে ১০ কোটি টাকার একটা তহবিল থাকবে।
যদি কারও এখন বয়স ৩০ বছর হয়, তাহলে তাঁকে মাসে ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা করে জমাতে হবে। তাহলে ২০ বছরে মধ্যে ওই ব্যক্তির হাতে ১০ কোটি টাকা থাকবে। আর যদি সেই ব্যক্তির বয়স হয় ৪০ বছর, তাহলে তাঁকে মাসে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমাতে হবে। তাহলেই বয়স ৫০ হতে হতে তাঁর কাছে ১০ কোটির তহবিল থাকবে।
মাসেই এত টাকা জমানো বেশ কঠিন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এত টাকার প্রয়োজন হয় না। যদি কেউ স্টেপ আপ SIP করে, সেই ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। কোনও ব্যক্তি যদি প্রতি বছর ১০ শতাংশ করে স্টেপ আপ SIP করে তাহলে ২৫ বছরের কোনও ব্যক্তির জন্য মাসে ২৫ হাজার ৪৫০ টাকা করে জমালেই হয়ে যাবে। ঠিক ২৫ বছর পর তাঁর হাতে থাকবে ১০ কোটির তহবিল।
৩০ বছর বয়সী কোনও ব্যক্তি যদি শুরু করতে চান, তাহলে তাঁকে মাসে ৫৪ হাজার টাকা করে জমাতে হবে। আর যদি কারও বয়স ৪০ হয়, তাহলে আগামী ১০ বছরের জন্য তাঁকে মাসিক ৩ লোকস ১০ হাজার টাকা করে জমাতে হবে। কিন্তু যদি কোনও ব্যক্তির বয়স হয় ২০ বছর। তাহলে কিন্তু সে মাসিক মাত্র ১২ হাজার ৫৫০ টাকা জমিয়েই তৈরি করে ফেলতে পারবে ১০ কোটির তহবিল।
(মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না।)