Last Updated:
সালঙ্কো বন্দ্যোপাধ্যায় ও আনন্দরূপ চট্টোপাধ্যায় প্রথম ছবি হিসেবে ‘মৌনাক্ষর’ তাঁদের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাস্তবধর্মী গল্প, সম্পর্কের জটিলতা, চরিত্রের মানসিক টানাপোড়েন এবং মানুষের আবেগকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবিতে সৌম্য মুখোপাধ্যায়, প্রান্তিকা দাস ও সুদীপা বসুর অভিনয় গল্পকে আরও গভীর করে তুলবে।
কলকাতা: মানুষের জীবনে এমন অনেক অনুভূতি থাকে, যা সবসময় মুখে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসা, অভিমান, স্মৃতি কিংবা দীর্ঘদিনের জমে থাকা যন্ত্রণা—এই সমস্ত অনুভূতিকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে নতুন বাংলা ছবি ‘মৌনাক্ষর’। সালঙ্কো বন্দ্যোপাধ্যায় ও আনন্দরূপ চট্টোপাধ্যায় পরিচালনায় এটি তাঁদের প্রথম ছবি। ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সৌম্য মুখোপাধ্যায়, প্রান্তিকা দাস ও সুদীপা বসু।
সালঙ্কো বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই ছবির গল্প মূলত মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতি, সম্পর্ক এবং জীবনের নানা অভিজ্ঞতাকে ঘিরে আবর্তিত। এখানে কোনও অতিরঞ্জিত উপস্থাপনার পরিবর্তে বাস্তব জীবনের কাছাকাছি থাকা আবেগ এবং চরিত্রগুলির মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জীবনের পথে মানুষ যে স্মৃতি ও অনুভূতিগুলি সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলে, সেগুলিই কীভাবে তার সম্পর্ক ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, সেই দিকটি উঠে আসবে ছবিতে।
ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার সালঙ্কো বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “‘মৌনাক্ষর’ একটি খুব সহজ অথচ শক্তিশালী ভাবনা থেকে তৈরি। আমাদের জীবনে এমন অনেক অনুভূতি থাকে, যা সবসময় শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। সেই অনুভূতিগুলিকে গল্পের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা, যন্ত্রণা, স্মৃতি, সম্পর্ক এবং জীবনের সঙ্গে বয়ে নিয়ে চলা নানা মানসিক বোঝা এই ছবির গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
আনন্দরূপ চট্টোপাধ্যায়, যিনি সালঙ্কো বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি সহ-চিত্রনাট্যও লিখেছেন, তাঁর প্রথম ছবিতে সম্পর্কের সূক্ষ্মতা এবং চরিত্রগুলির অন্তর্দ্বন্দ্বকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র অর্জুনের ভূমিকায় রয়েছেন সৌম্য মুখোপাধ্যায়। অভিনেতার মতে, গল্পের উপস্থাপনা এবং চরিত্রটির বিভিন্ন স্তর ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ। ছবিতে সৌম্য মুখোপাধ্যায়ের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন সুদীপা বসু। তাঁর চরিত্রের মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্ক, প্রজন্মের পার্থক্য এবং কাছের মানুষদের মধ্যে থাকা আবেগের আরও একটি দিক গল্পে উঠে আসবে।
