মুনীরের স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপের প্রভাব এখন সেনাবাহিনীতেও বিস্তৃত
মুনীরের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা নিয়ে দ্বিতীয় যে প্রশ্নটি উঠেছে, তা হল সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের বিষয়টি। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইয়েমেনের হুদি বিদ্রোহীদের আক্রমণ তীব্র হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান সৌদি আরবে অতিরিক্ত সামরিক বাহিনী পাঠাতে সম্মত হয়েছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরই এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে। এই সেনা মোতায়েনের বিষয়ে কোনো সংসদীয় ভোট অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে ২০১৫ সালের পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন; সে সময় ইয়েমেন যুদ্ধের জন্য সৌদি আরব পাকিস্তানের কাছে সৈন্য, যুদ্ধবিমান ও নৌ-জাহাজ চেয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সংঘাতে অংশ না নিয়ে নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
