Last Updated:
দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রান্তিক এক দ্বীপ মৌসুনি থেকে এবছর উঠে আসল জেলার রত্ন শাশ্বত মাইতি। এবছর সে মাধ্যমিকে দশম স্থান অধিকার করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। তার এই সাফল্যে খুশি শ্বাশ্বতের পরিবারের লোকজন।
নামখানা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রান্তিক এক দ্বীপ মৌসুনি থেকে এবছর উঠে আসল জেলার রত্ন শাশ্বত মাইতি। এই বছর সে মাধ্যমিকে দশম স্থান অধিকার করেছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। তার এই সাফল্যে খুশি শ্বাশ্বতের পরিবারের লোকজন। ছোট থেকে শাশ্বত প্রতিকূলতা দেখে বড় হয়েছে। সেই কথা উঠে এসেছে শ্বাশ্বতের গলাতেও। প্রান্তিক দ্বীপের বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা ভাবিয়েছে তাকেও। সেজন্য সে চিকিৎসক হতে চায়।
যোগাযোগ ব্যবস্থার অপ্রতুলতার জন্য শাশ্বতের বাবা সত্যব্রত মাইতি ছেলেকে নিয়ে চলে আসেন কাকদ্বীপে। সেখানে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। তবে ছেলে বড় হলে আবার ফিরে যেতে চান দ্বীপে। এরপর সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরানোর কথা ভাবছেন তাঁরা।
শাশ্বতের কথায় সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিষেবার অভাব রয়েছে। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়াই স্বপ্ন ছোট থেকে। বেহাল স্বাস্থ্যের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভাল নয়।
পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকতেও ভীষণ ভালবাসে শাশ্বত। তবে পড়াশোনায় কোনভাবেই ফাঁকি দেয় না ছেলে এই কথা জানিয়েছেন শ্বাশ্বতের বাবা-মা। তাদের ছেলের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে পরিবার থেকে গোটা এলাকাজুড়ে। উল্লেখ্য, কাকদ্বীপের সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির থেকে এবছর সে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে। এই স্কুল থেকে আগেও একাধিক ছাত্র-ছাত্রী ভাল রেজাল্ট করেছে। এই বছর আবারও এই রেজাল্টের ফলে স্কুলের নাম আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সকলেই।
South Twenty Four Parganas,West Bengal