Last Updated:
TMC: শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা৷ তৃণমূলের পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে শনিবার এই সিদ্ধান্ত জানাল হল৷
কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর এবার বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস৷ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা৷ তৃণমূলের পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে শনিবার এই সিদ্ধান্ত জানাল হল৷ প্রবীণ বিধায়ক, পরিষদীয় মন্ত্রী ছিলেন গত বিধানসভায়। এবার তাকেই বিরোধী দলনেতা করল তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রসঙ্গত, রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ৯ মে, ব্রিগেডের ময়দানে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী৷ অন্যদিকে, এদিনই বিকেল ৪টে থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও আয়োজন করা হয়েছে রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে৷ সেখানে অনুষ্ঠান শুরু আগে সকলের উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন মমতা৷
গত শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছিল, প্রশাসনের তরফে শনিবার তিন জায়গা থেকে রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠান পালনের অনুমতি চাওয়া হলেও তারা তা পায়নি৷ এদিন অনুষ্ঠান শুরুর আগের বক্তব্যের প্রথমেই সেই কথার উল্লেখ করেন মমতা৷ বলেন, ‘‘আমি ভাবলাম, আমার অফিসের সামনে অনেকটা জায়গা আছে৷ আজকে নয় চিরকালই আছে৷ এখানে বসে কেন হতে পারে না?’’
মমতা বললেন, ‘‘আজ সকালে দু’টো চৌকি কিনলাম৷ সব ডেকরেটার্সদের মানা করে দিয়েছে, যাতে কেউ চৌকিটৌকি না দেয়, প্যান্ডেল না করে৷ এগুলো যা দেখছেন এসব নিজেরা করেছি৷’’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “চারদিকে সন্ত্রাসের বজ্রাঘাত চলছে। আমি যত রাজনৈতিক বিরোধী দল আছে, আমি তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আবেদন জানাচ্ছি৷ যদি মনে হয়, আবেদনটা গ্রহণযোগ্য, গ্রহণ করবেন৷ না হলে করবেন না৷ সেটা আপনাদের অধিকার৷ আবেদন জানাতে তো কোনও অসুবিধা নেই৷ সব সমস্ত ছাত্র-যুব সংগঠন, এনজিও-কে বলব জোট বাঁধুন। আমরা চাই একটা যৌথ প্ল্যাটফর্ম তৈরি হোক৷ যাঁরা বিজেপি বিরোধী, এমনকি, .যদি বলেন লেফিস্ট, আমার কোনও ইগো নেই। আমি সবাইকে নিয়ে চলতে চাই৷ আজকে যা অবস্থা, বিজেপিকে যদি রুখতে চাই লেফট, আলট্রা লেফ, সব রাজনৈতিক দল, কেন্দ্রে তো আমরা লড়বই, কিন্তু, বাংলাতেও যদি জোট করতে চান, আমি ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত আছি অফিসে৷ আমি রবীন্দ্রনাথের সামনে দাঁড়িয়ে এই আবেদনটা রাখলাম৷ রাজনৈতিক ভাবে আমাদের ফার্স্ট শত্রু বিজেপি৷”
Kolkata,West Bengal
