Last Updated:
Suvendu Adhikari: ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর কেটে গিয়েছে ১১ দিন। রবিবার চন্দ্রনাথের চন্ডিপুরের বাড়িতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিলেন সুবিচারের আশ্বাস। কী বললেন চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ?
মেদিনীপুর: রবিবার চন্ডীপুরের কুলুপ গ্রামে গিয়ে নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের বাড়িতে তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চন্দ্রনাথের বাড়ি গিয়ে তাঁর মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের সামনে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। খুব দ্রুত সুবিচারের আশ্বাস দেন তিনি।
বাড়িতে ঢুকে চন্দ্রনাথের ছবিতে মালা দিতে গিয়ে কার্যত কেঁদে ফেলেন মুখ্যমন্ত্রী। চন্দ্রনাথ রথের মায়ের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথ রথের মা বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী যে আমাদের বাড়িতে এসেছেন, আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন, পদ পেয়ে অনেকে ভুলে যান, কিন্তু তিনি মনে রেখেছেন। এটা আমাদের পরম সৌভাগ্য।”
মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে আসার পর নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানী রথ আরও বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পরিবারের পাশে থাকবেন বলেছেন। অপরাধীরা ধরা পড়বে এবং তাঁদের শাস্তি হবে বলে তিনি কথা দিয়েছেন। আমিও চাই অপরাধীদের কঠোর শাস্তি হোক। শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি আমাদের আস্থা আছে। নিশ্চয়ই শাস্তি হবে। আমরা না চাইলেও এসপিকে বলে আমাদের জন্য পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করলেন তিনি।”
এদিকে, ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর কেটে গিয়েছে ১১ দিন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আসতেই ছুটে আসেন চন্দ্রনাথের প্রতিবেশী পরিজনরা। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে তাঁরা সকলেই অনুরোধ করেন, চন্দ্রনাথের খুনিরা যেন দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। তাঁদের আশ্বস্ত করেন শুভেন্দু। এরপর চন্দ্রনাথের বাড়ি থেকেই কলকাতা ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে, ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর কেটে গিয়েছে ১১ দিন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আসতেই ছুটে আসেন চন্দ্রনাথের প্রতিবেশী পরিজনরা। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে তাঁরা সকলেই অনুরোধ করেন, চন্দ্রনাথের খুনিরা যেন দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। তাঁদের আশ্বস্ত করেন শুভেন্দু। এরপর চন্দ্রনাথের বাড়ি থেকেই কলকাতা ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত ৬ মে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ঘটনা। উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের রাস্তায় এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে খুন করা হয় শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে। গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন চন্দ্রনাথ। চালকও জখম হন গুলিতে। বাইকে করে এসে তাঁদের গুলি করে পালান আততায়ীরা। তার কিছুক্ষণের মধ্যে চন্দ্রনাথদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনার পরেই সুবিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
Kolkata,West Bengal
