কলকাতা: বোলাররা কাজটা সহজই করে দিয়েছিল। কিন্তু তবুও কিছুটা কষ্টার্জিতভাবেই জয় ছিনিয়ে নিল কেকেআর। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে ৪ উইকেটে জয় পেল অজিঙ্ক রাহানের দল। আর এই ম্য়াচ জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই পয়েন্ট টেবিলে ৬ নম্বরে উঠে এল কেকেআর। ১৩ ম্য়াচে ঝুলিতে ১৩ পয়েন্ট। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শেষ ম্য়াচ জিততে তো হবেই, এমনকী পঞ্জাব ও রাজস্থানকে তাঁদের শেষ ম্যাচে হারতে হবে, তাহলেই নাইটরা প্লে অফে জায়গা করে নেবে।
| দল | ম্য়াচ | জয় | হার | পয়েন্ট |
| রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু | ১৩ | ৯ | ৪ | ১৮ |
| গুজরাত টাইটান্স | ১৩ | ৮ | ৫ | ১৬ |
| সানরাইজার্স হায়দরাবাদ | ১৩ | ৮ | ৫ | ১৬ |
| রাজস্থান রয়্যালস | ১৩ | ৭ | ৬ | ১৪ |
| পঞ্জাব কিংস | ১৩ | ৬ | ৬ | ১৩ |
| কলকাতা নাইট রাইডার্স | ১৩ | ৬ | ৬ | ১৩ |
| চেন্নাই সুপার কিংস | ১৩ | ৬ | ৭ | ১২ |
| দিল্লি ক্যাপিটালস | ১৩ | ৬ | ৭ | ১২ |
| মুম্বই ইন্ডিয়ান্স | ১৩ | ৪ | ৯ | ৮ |
| লখনউ সুপারজায়ান্টস | ১৩ | ৪ | ৯ | ৮ |
সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর স্পিন জুটি। সৌরভ দুবে ও ক্যামেরন গ্রিনের পেস আক্রমণ মুম্বইকে কোণঠাসা করে দিয়েছিল ইডেনে। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কেকেআর ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে। বোলাররা কাজটা নিঁখুত করেছিলেন। মাত্র ১৪৮ রানেই শেষ হয়েছিল মুম্বইয়ের ইনিংস। আইপিএল প্লে অফে ওঠার সামান্যতম আশা জিইয়ে রাখতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাতেই হতো কেকেআরকে। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম ইনিংসে ১৪৭/৮ স্কোরে আটকে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। একটা সময় ১০৫/৭ হয়ে গিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। শেষ ৪ ওভারে ৫২ রান করে ভদ্রস্থ স্কোর বোর্ডে তোলে মুম্বই। ১৮ বলে অপরাজিত ৩২ করেন করবিন বস্ক। দুরন্ত বোলিং করেন সুনীল নারাইন। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রানে এক উইকেট। ২টি করে উইকেট ক্যামেরন গ্রিন, সৌরভ দুবে ও কার্তিক ত্যাগীর।
এরপর ব্যাট করতে নেমে যদিও শুরুতেই ধাক্কা খায় কেকেআর। ফিন অ্য়ালেন বেশি রান করতে পারেননি। অজিঙ্ক রাহানে ও মণীশ পাণ্ডে জুটি বাঁধেন। রাহানে ২১ রান করে ফিরে যাওয়ার পর পাওয়েল ও মণীশ মিলে দলের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। যদিও শেষের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়েছিল নাইটরা। কিন্তু রিঙ্কু ৭ বল বাকি থাকতে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্য়াচ শেষ করে দেন।