কলকাতা: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় দেখা গিয়েছে আশার আলো। আর সেই কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ অনেকটা কমে গিয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আর এর প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারেও। ২৫ মে সকালে মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বা MCX -এ দেখা গিয়েছে প্রায় ৬ শতাংশ কমে গিয়েছে ক্রুড অয়েলের দাম। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম কমে যাওয়া ভারতের অর্থনীতির জন্য একটা ইতিবাচক সংকেত।
একই ছবি দেখা যায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে যায় ৫.৭ শতাংশ। ফলে এই তেলের দাম নেমে আসে ব্যারেল প্রতি ৯৭.৬৯ ডলারে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)-এর দাম কমে গিয়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। এর দাম পৌঁছে গিয়েছে ৯০.৮৫ ডলারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বাজারে একটা আশার আলো দেখা গিয়েছে। কারণ, এই মুহূর্তে মনে করা হচ্ছে আমেরিকা ও ইরান একটা শান্তি চুক্তি করতে পারে। আর এমন যদি হয় তাহলে হরমুজ প্রণালী ফের খুলে যাবে। আর তেমন যদি হয় তাহলে অবশ্যই কমবে তেলের দাম। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহণ হয়।
তেলের দাম কমায় একটা ইতিবাচক ছবি দেখা গিয়েছে ভারতের শেয়ার বাজারেও। সোমবার সকালে বাজার খোলার পরই সেনসেক্স বৃদ্ধি পায় ৯০০ পয়েন্টের বেশি। এ ছাড়াও বিরাট বৃদ্ধি পায় নিফটি ৫০-ও। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট্রোল বা ডিজেলের দাম কমলে কমবে আমদানি খরচ। এর ফলে মূল্যবৃদ্ধি ও শিল্প সংস্থাগুলির ব্যয়ের উপর চাপও কমবে। আর এটাই এই মুহূর্তে ভারতের অর্থনীতির জন্য সব থেকে বড় স্বস্তির খবর।
তথ্যসূত্র: PTI