Last Updated:
Viral News: ব্রিটেনের দুই যমজ বোনের গল্প মানুষকে হতবাক করে দিয়েছে । ৪৯ বছর ধরে তারা বিশ্বাস করে আসছিলেন যে তাদের বাবা একই। তবে, ডিএনএ পরীক্ষায় প্রকাশ পায় যে তাদের মা এক হলেও বাবা আলাদা।
লন্ডন: কখনও কখনও এমন কিছু ঘটনা সামনে আসে যা প্রথম নজরে অবিশ্বাস্য মনে হয় কিন্তু এটাই সত্যি। ব্রিটেন থেকে এমনই একটি ঘটনা বর্তমানে খবরের শিরোনামে এসেছে, যেখানে দুই যমজ বোন প্রায় ৪৯ বছর ধরে বিশ্বাস করে আসছিলেন যে তাঁরা একই বাবার সন্তান। কিন্তু একটি ডিএনএ পরীক্ষা তাঁদের জীবনের এমন এক গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয় যা তাঁদের পরিবারের সকলেও হতবাক হয়ে গিয়েছে।
তারা জন্ম থেকেই নিজেদের যমজ বোন বলে মনে করত। প্রতিবেদন অনুসারে, মিশেল ও ল্যাভিনিয়া নামের দুই বোন ১৯৭৬ সালে নটিংহামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তারা একে অপরকে যমজ বলে বিশ্বাস করত এবং তাদের পরিবারও তাদের সেভাবেই স্বীকৃতি দিয়েছিল। তারা একসঙ্গে বড় হয়েছিল এবং তাদের বাবা এক হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা জীবনে এগিয়ে যেতে শুরু করে। প্রায় পাঁচ দশক ধরে তাদের কোনও ধারণাই ছিল না যে তাদের জন্মের পেছনের এমন এক সত্য প্রকাশিত হবে, যা তাদের সম্পর্কের দৃষ্টিভঙ্গিই পুরোপুরি বদলে দেবে।
ডিএনএ পরীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে যে, বোনেরা যাকে তাদের বাবা বলে বিশ্বাস করত, তিনি মিশেলের বাবা নন, যা তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক গল্পটিকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই মামলার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়টি হল, দুই বোন প্রায় একই সময়ে জন্মগ্রহণ করলেও ডিএনএ পরীক্ষায় তাদের পিতা আলাদা বলে জানা গেছে। এর অর্থ হল,তারা মায়ের দিক থেকে যমজ হলেও তাদের বাবা আলাদা। এই অবস্থাটিকে অত্যন্ত বিরল বলে মনে করা হয় এবং এ কারণেই এই ঘটনাটি সকলের নজর কেড়েছে।
৪৯ বছর পর সত্যটা প্রকাশ পেতেই তা নিয়ে জোরদার জল্পনা শুরু হয়েছে৷ প্রায় পাঁচ দশক ধরে একটি পরিবার যে সম্পর্ককে সত্যি বলে বিশ্বাস করে এসেছে, সেখানে আচমকা ডিএনএ রিপোর্ট হঠাৎ অন্য কিছু প্রকাশ করলে তা কতটা আবেগঘন ও কঠিন হতে পারে। মিশেল ও লাভিনিয়ার জন্য এই প্রকাশটি কেবল একটি রিপোর্টের ফলাফল ছিল না, বরং এটি ছিল এমন একটি মুহূর্ত যা তাদের শৈশব ও পরিবার সম্পর্কে দীর্ঘদিনের বিশ্বাসকে ওলটপালট করে দিয়েছিল। (Disclaimer: এই গল্পটিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। নিউজ১৮ এই ভিডিওর দাবিগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি।)
