Last Updated:
বিধানসভা ভোটে ক্ষমতা হারিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসেছে তৃণমূল। যদিও ৮০ জন বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও এখনও বিধানসভায় বিরোধী দলের স্বীকৃতি মেলেনি বলে অভিযোগ দলের। এরই মধ্যে কয়েকজন বিধায়কের গতিবিধি নিয়েও সন্দিহান তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে রবিবার বিকেলে তৃণমূল পরিষদীয় দলের বৈঠক ডেকেছেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সব বিধায়ককে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কনফারেন্স রুমে।
কলকাতা: সই মেলেনি বিধানসভার খাতায়৷ এই অভিযোগে নয়নার বিরুদ্ধে পুলিশে দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি৷ বৃহস্পতিবার সিআইডি-র টিম পৌঁছয় চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে৷ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা মানার চিঠিতেই গোলমাল রয়েছে বলে অভিযোগ। দুই চিঠিতে নয়না বন্দোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় সই সম্পর্কিত অভিযোগ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, গত ৬মে বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মিটিং ছিল। সেই সময় দলের সিদ্ধান্ত তরফে ফর্ম্যাট রেডি করা হয়। সেখানে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় সই করেছিলেন। যা নয়নার আগের সইয়ের সঙ্গে মিলছে না। সই না মেলার কারণে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সচিব হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ করেছিলেন৷ সেই মামলা সিআইডি-তে হস্তান্তর হয়৷
আজ, বৃহস্পতিবার তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি গিয়ে সিআইডির টিম গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যান কার্ড এক্সজামিন করা হয় বলে জানা গিয়েছে৷
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট’কে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে যান সিআইডি-র আধিকারিকরা। নয়না বন্দ্যোপাধ্য়ায় সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না। ভিডিয়ো কলে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, নয়নার করা একটি সইয়ের সঙ্গে তাঁরই পুরনো সই মেলেনি। সেই সই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্য বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার সিআইডি-র টিম পৌঁছয় নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
