কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান : জিটিরোডের ওপর মেমারি ও রসুলপুর রেল গেটে উড়ালপুল তৈরিতে উদ্যোগী ডবল ইঞ্জিন সরকার। বুধবার এই দুটি রেল গেট পরিদর্শন করল রেল ও রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকরা ছিলেন মেমারির বিধায়ক মানব গুহ।
আরও পড়ুন, “কয়েকটা ছেলে চোর চোর বলছিল ! গাড়িতে উঠতেই ডিম ছুড়ল..”, বিক্ষোভের মুখে পড়ে কী প্রতিক্রিয়া সৌগতর ?
মেমারি ও রসুলপুর রেল গেটে উড়ালপুলের দাবি দীর্ঘদিনের। বর্ধমান হাওড়া মেন লাইন শাখায় এই দুটি রেল গেট জিটিরোডের ওপর। লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেনের আধিক্যের কারণে এই দুটি রেল গেট বন্ধ হয় বারে বারে। দীর্ঘক্ষণ রেলগেট বন্ধ থাকায় দেখা দেয় যানজটের দীর্ঘ লাইন। চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। কয়েক বছর আগেই তৃণমূল আমলে মেমারিতে উড়ালপুল তৈরির জন্য কেটে ফেলা হয় বড় বড় গাছ। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।এবার এই দুটি রেল গেটে চার লেনের উড়ালপুল তৈরিতে উদ্যোগী নতুন সরকার।এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, এই দুটি রেলগেটে উড়ালপুল তৈরি হলে দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। বর্ধমানের সঙ্গে দূরত্ব কমবে অনেকটাই।পাশাপাশি মেমারি শহরের মানুষের হয়রানি কমবে।
মেমারিতে রেলগেট দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকার ফলে একদিকে যানজট তৈরি হতো। পাশাপাশি গেট পড়ে থাকলে মেমারি হাসপাতালে রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই গেটেই আটকে থাকতে হতো। আবার রসুলপুর রেল গেটে উড়ালপুল হলে একদিকে যেমন বর্ধমানের সাথে সময়ের দুরত্ত্ব কমবে তেমনি বর্ধমান হাসপাতাল বা নার্সিংহোম গুলিতে রোগী নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার কমবে।এখন দেখার বিষয় কতদিনে সফলতা মেলে এই দুটি প্রকল্পের সফলতা।