Last Updated:
তৃণমূলের ২০ জন লোকসভার সাংসদ এনসিপিআই দলে মিশে যাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন৷ যদিও এখনও সেই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা৷
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা দাবি করেছিলেন, যেহেতু লোকসভার দুই তৃতীয়াংশ সাংসদই নতুন দলে মিশে যাওয়ার আবেদন করেছেন, ফলে তাঁরা দলবিরোধী আইনের কোপে পড়বেন না৷ কিন্তু শুক্রবার লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, যদি দলের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যই অন্য দলে মিশে যেতে চান, তবেই তা সংবিধান স্বীকৃত৷ দুই তৃতীয়াংশ সাংসদ অন্য দলে মিশে যাওয়ার যে আবেদন করেছেন, তা অসাংবিধানিক বলেই দাবি করেছেন অভিষেক৷
সংবিধানের একটি প্রতিলিপি হাতে নিয়ে অভিষেক বলেন, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা যা খুশি বলতে পারেন৷ আমিও ভুল বলতে পারি৷ কিন্তু সংবিধান তো ভুল বলবে না৷ এখানে স্পষ্ট লেখা আছে নতুন কোনও দলে মিশতে হলে দলের দুই তৃতীয়াংশকে মিশে যেতে হবে৷ দলের দুই তৃতীয়াংশ কোথায় মিশেছে? শুধু ২০ জন সাংসদ অন্য দলে গিয়েছেন৷ কেন তাঁরা অন্য দলে গেলেন, সেটা তাঁরাই বলতে পারবেন৷
লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ ছিলেন৷ তার মধ্যে ২০ জনই নতুন দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন৷ লোকসভার অধ্যক্ষের কাছেও নতুন দলে মিশে যাওয়ার আবেদন করেছেন তাঁরা৷
শুক্রবার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজ করার জন্য আবেদন করেন অভিষেক৷ বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদের সদস্য পদ খারিজ করার জন্য অধ্যক্ষকে ২০টি আলাদা চিঠি দিয়ে এসেছেন অভিষেক৷
তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের অন্যতম প্রধান মুখ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য দাবি করেছিলেন, তাঁরা অদূর ভবিষ্যতে তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকও দাবি করবেন৷ প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার কথাও বলেন কলকাতা উত্তরের প্রবীণ সাংসদ৷
যদিও গতকাল অভিষেক অভিযোগ করেছেন, অর্থের টোপ এবং ভয় দেখিয়েই বিদ্রোহী সাংসদদের দল বদলে বাধ্য করা হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, বিদ্রোহীদের সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে ভোটে জিতে আসার চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন অভিষেক৷
Kolkata,West Bengal
