অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। সোমবার ৪ মে পশ্চিমবঙ্গবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হয়েছে ভোট গ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। দীর্ঘ বছর পর প্রায় হিংসা হীন ভোট দেখেছে বাংলা। ভোট শেষে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়েও চড়েছে রাজনীতির পারদ। এবার ফল ঘোষণা।
নির্বাচনের পর থেকে বঙ্গবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন না ভারতীয় জনতা পার্টির হাত ধরে ফের একবার পরিবর্তনের পথে হাঁটবে বাংলা। এই দুই দলের ফলের দিকে তো সকলের নজর থাকবেই। এর পাশাপাশি সিপিআইএম (বামফ্রন্ট) ও আইএসএফের জোট ও কংগ্রেস এবার কেমন ফল করে সেদিকেও নজর রয়েছে গোটা বাংলার।
সিপিআইএম ও আইএসএফ জোট এবার শাসকের সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে কোনও থাবা বসাতে পারে কিনা সেটা লাখ টাকার প্রশ্ন। এর পাশাপাশু সিপিআইএম শূন্য দশা কাটিয়ে উঠতে পারে কিনা সেটাও দেখার। প্রার্থী তালিকায় একগুচ্ছ তরুণ মুখকে সামনে এনে প্রশংসা কুড়িয়েছে আলিমুদ্দিন। এবার তারা জনতার আশীর্বাদে কতটা সফল হলেন তার উত্তপ মিলবে। একইসঙ্গে আইএসএফ ভাঙড় থেকে বেড়িয়ে অন্যান্য আসনে কতটা তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে পারে সেটাও দেখার।
কংগ্রেস এবার কারও সঙ্গে জোট বা আসন সমঝোতার পথে না হেঁটে একাই লড়াই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যা কিছুটা চমকের মতই ছিল। তবে রাজ্যের অন্যান্য জেলায় কংগ্রেসের ভাল ফল নিয়ে সংশয় থাকলেও, নিজেদের গঢ় মালদহ ও মুর্শিদাবাদে হাত শিবিরের ফল কেমন হয় সেটাও দেখর। শূন্যের গেঁরো কাটানোর চ্যালেঞ্জ কংগ্রেসের সামনেও।