Last Updated:
কীভাবে শিশুটি ১১ তলার ব্যালকনি থেকে পড়ে গেল তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি শিশুটির পরিবার এবং প্রতিবেশীদের বয়ানও সংগ্রহ করেছে পুলিশ৷
বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন স্বামী-স্ত্রী৷ ঘুম থেকে উঠে বাবা-মাকে খুঁজতে শুরু করে ৫ বছরের মেয়ে৷ আর সেই সুযোগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা৷ ১১ তলার ব্যালকনি থেকে পড়ে গিয়ে মৃ্ত্যু হল ওই শিশুকন্যার৷
এনডিটিভি-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণপূর্ব দিল্লির কালকাজি এক্সটেনশনে৷ কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে৷
জানা গিয়েছে, দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথোরিটির তৈরি ১৪ তলা একটি আবাসনের ১১ তলায় থাকত ওই শিশুকন্যার পরিবার৷ শনিবার রাতে সাডে় দশটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে৷
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, শনিবার সন্ধ্যার দিকে ওই শিশুকন্যা ঘুমিয়ে পড়ে৷ এর পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ ঘুম ভেঙে যায় তার৷ তখন তার বাবা-মা বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন৷ এ দিকে ঘুম থেকে উঠে বাবা-মাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ওই শিশুকন্যা৷ বাবা-মাকে খুঁজতে গিয়ে ব্যালকনিতে চলে যায় সে৷ ব্যালকনির রেলিং থেকে ঝুঁকে নীচের দিকে দেখতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি৷ কোনও ভাবে পা পিছলে গিয়ে রেলিং টপকে নীচে গিয়ে পড়ে ওই শিশুকন্যা৷
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ওই শিশুকন্যাকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা৷ শিশুটির বাবা মিঠুন দাস ওই এলাকাতেই মাছ বিক্রি করেন৷
এই দুর্ঘটনার জন্য অবশ্য শিশুকন্যার পরিবার ওই আবাসনের সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতির অভিযোগ করেছেন৷ পরিবারের এক সদস্য সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, ‘ব্যালকনিতে গ্রিল অথবা নেট দেওয়া থাকলেও হয়তো এরকম মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটত না৷ শিশুদের কথা মাথায় রেখে তো অন্তত এই ব্যবস্থা রাখা উচিত৷ ঘুম থেকে উঠে সবে শিশুটি ওর মাকে খুঁজতে শুরু করেছিল৷ আর মুহূর্তের মধ্যে এমন বিপর্যয় ঘটে গেল৷ কোনও পরিবারেই যেন এমন দুর্ঘটনা না ঘটে৷’
Kolkata,West Bengal
