Last Updated:
Durgapur Chemicals: কারখানার দরজা বন্ধ হয়েছে ২০১৯ সালে। সেই রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার কর্মীরা গত সাত মাস ধরে পাননি কোনও বেতন। ফলে চরম হাহাকার দেখা দিয়েছে কর্মীদের পরিবারগুলিতে। বন্ধ হতে বসেছে সন্তানদের পড়াশোনাও। শ্রমিক পরিবারগুলি আপাতত তাকিয়ে রয়েছে নতুন সরকারের কাছে। আর্জি দ্রুত বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার।
ফলে শ্রমিক পরিবারগুলিতে এখন চরম হাহাকার দেখা দিয়েছে। নিত্যদিনের নুন-ভাতের সংস্থান করা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে তাঁদের কাছে। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ কিংবা চিকিৎসার খরচের যোগান দেওয়া আরও দুষ্কর হয়ে উঠেছে। এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যের নতুন সরকারের কাছে দ্রুত বকেয়া বেতন মেটানোর আর্জি জানিয়েছেন কর্মীরা।
গেটে তালা ঝোলার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ সময়। কিন্তু কারখানার পুনরুজ্জীবন বা শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যাপারে বিগত সরকারের আমলে তেমন কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলেই অভিযোগ। অন্যদিকে টানা সাত মাস বেতন না পেয়ে পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে শ্রমিকদের। এই বিষয়ে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে। জেলাশাসকের সঙ্গেও শ্রমিকদের বকেয়া মেটানোর ব্যাপারে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। খুব দ্রুত কর্মীদের বেতন মিটিয়ে দেওয়া হবে।
Durgapur,Barddhaman,West Bengal
Jun 24, 2026 10:57 AM IST
